সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জে মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় ২০২০ সালে অনলাইনের মাধ্যমে প্রাথমিক ও চূড়ান্ত বাছাই করে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ ৫ জন শিক্ষক, ১০ জন শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ২৬ জন শিশু শিক্ষার্থীদের মধ্যে নগদ অর্থ, ক্রেষ্ট ও সনদপত্রসহ পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

রোববার দুপুরে মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম সুনামগঞ্জের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(শিক্ষা ও আইসিটি) বিজন কুমার সিংহের সভাপতিত্বে মশিগসি প্রকল্পের সহকারী পরিচালক রবীন আচার্য্যর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।

পুরস্কার বিতরণীতে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রাথমিক কর্মকর্তা এস এম আব্দুর রহমান,সমাজসেবা অফিসের উপ পরিচালক সুচিত্রা রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. জয়নাল আবেদীন, সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ পরিমল কান্তি দে, উপজেলা মনিটরিং কমিটির সদস্য ও শিক্ষাবিদ যোগেশ্বর দাস জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এড. বিমান কান্তি রায়, সাধারণ সম্পাদক বিমল বণিক, সার্বজননী কেন্দ্রীয় দূর্গাবাড়ি মন্দির কমিটির সাধারন সম্পাদক সুবিমল চক্রবর্তী চন্দন, সুনামগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ও মোহনা টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি কুলেন্দু শেখর দাস তালুকদার,মশিগশির কম্পিউটার অপারেটর যীশু কুমার দাস, ফিল্ড সুপারভাইজার পুল্লাদ কুমার শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই বাংলাদেশে প্রতিটি ধর্মেরা মানুষ তারা স্বাধীনভাবে ধর্মকর্ম ও আচার অনুষ্ঠান পালন করবেন সেই স্বীকৃতি স্বাধীনতা পরবর্তী জাতির জনক বঙ্গঁবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই সংবিধানে লিপিবদ্ধ করে গেছেন। কাজেই প্রতিটি ধর্মের মানুষ আমরা সবাই যার যার স্ব-অবস্থান থেকে মিলেমিশে চলে এই দেশটিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ উন্নত বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে কাজ করে যাওয়ার আহবান জানান।

পরিশেষে শ্রেষ্ঠ ৫ জন শিক্ষকের প্রত্যেকজনকে ১২শ’ করে নগদ অর্থ প্রদান, ১০ জন শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে নগদ ৬শ’ করে টাকা এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ২৬ জন শিশু শিক্ষার্থীদের মধ্যে, ক্রেষ্ট ও সনদপত্রসহ পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দরা।