এজেএম আহছানুজ্জামান ফিরোজ, শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি : শেরপুরের শ্রীবরদীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইফতেখার ইউনুসের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেয়েছে এক (১৫) শিক্ষার্থী।

শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) রাতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ওই শিক্ষার্থীর বাড়ি গিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেন। ওই শিক্ষার্থী স্থানীয় একটি মাদরাসায় দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করতো।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রানীশিমূল ইউনিয়নের রানীশিমূল গ্রামের সুলতান মিয়ার ছেলে সোবহান মিয়ার সাথে শ্রীবরদী সদর ইউনিয়নের মামদামারী গ্রামের এক শিক্ষার্থীর বিয়ের আয়োজন চলছিল।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইফতেখার ইউনুস সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হন। পরে মেয়ের বাবা-মা’কে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে বুঝালে তারা বিয়ে ভেঙে দেন এবং মেয়ের বাবা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট মুচলেকা দেন যে ১৮ বছরের আগে মেয়েকে বিবাহ দেবেননা।

এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বর পক্ষের নিকট থেকে ১২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এসময় শ্রীবরদী সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরিদ ও স্থানীয় ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।