আবুল কাশেম, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা : সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে কৈজুুরি ইউনিয়নের জামিরতা গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পরবর্তীতে দুই গুরুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে আহত হয়েছে ১২ জন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করেছে শাহজাদপুর থানা পুলিশ।

জানা গেছে, গত ২৬ ডিসেম্বরের কৈজুরি ইউপি নির্বাচন কে কেন্দ্র করে গত বুধবার বিকেলে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন খোকনের সমর্থক রুবেল ও নৌকা মার্কার পরাজিত প্রার্থী সাইফুল ইসলামের সমর্থক ওসমান গুরুপের মধ্যে এক সংঘর্ষ হয়।

কৈজুরি ইউনিয়নের জগতলা গ্রামের ব্যাপারী গোষ্ঠীর রুবেল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, শাহজাদপুরের কৈজুরী ইউনিয়নে নৌকা প্রার্থী সাইফুল ইসলাম হেরে গেলে তার সমর্থক পোরজনা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান মেম্বর ওসমান ও তার ভাই মোন্নাফের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন খোকনের সমর্থক ওই ইউনিয়নের জগতলা গ্রামের বেপারী গোষ্ঠীর লোকেরা জামিরতা বাজারে গেলে ওসমান, মোন্নাফ হোসেন, আইয়ুব, লোকমান, মিলন, বাবুসহ কয়েক জন দেশীয় অস্ত্রসহ তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

হামলায় ব্যাপারী গোষ্ঠীর ৮ থেকে ১০ জন গুরুতর আহত হয়। আহতদের মধ্যে অন্যতম টিপু বেপারী (৫০) পিতা পাষান বেপারী, আক্তার হোসেন (৫৫) পিতা পাষাণ বেপারী, রুবেল হোসেন (৩২) পিতা মঞ্জু বেপারী।

পোরজনা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ওসমানের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, জগতলার ব্যাপারী গোষ্টির লোকেরাই জামিরতা বাজারে এসে আমাদের উপর হামলা চালায় এতে আমরা ৪-৫ জন আহত হই। কিন্তু ব্যাপারী গোষ্টির রুবেল হোসেন তা অস্বীকার করে বলেন, ওসমান মেম্বারের লোকজনই অতর্কিত আমাদের ওপরে হামলা চালিয়েছে।

এ ব্যাপারে শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিদ মাহমুদ খান জানান, সংঘর্ষের ঘটনা জানার পরপরই আমরা ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি টিম পাঠিয়েছি তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে তবে এখনো থানায় কোনো মামলা হয়নি। এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুই গুরুপের আহতরা শাহজাদপুর ও সিরাজগঞ্জ এর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করছে।