শরণখোলায় আহত গৃহবধূ ফিরোজা বেগম

সুন্দরবন অঞ্চল প্রতিনিধি : শরণখোলায় ধর্ষণ চেষ্টায় বাঁধা দেওয়ায় লম্পটের মারধরে গুরুতর আহত গৃহবধু ঘটনার দশদিনেও মামলা করতে পারেনি। গৃহবধুকে মামলা না করার জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ভূক্তভোগী পরিবার।

শরণখোলা উপজেলার ধানসাগর গ্রামের মহিদুল খান বৃহস্পতিবার দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে লিখিত অভিযোগ করে বলেন, ধানসাগর গ্রামের তার নিকট প্রতিবেশী শহিদুল হাওলাদার দুশ্চরিত্র ও লম্পট প্রকৃতির লোক সে দীর্ঘদিন যাবৎ তার স্ত্রী ফিরোজা বেগম (৩৬)কে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলো। এবিষয় নিয়ে একাধিকবার শহিদুলকে নিষেধ করা হয়েছে।

গত ১০ জুন সন্ধ্যায় তার স্ত্রী ফিরোজা গোয়াল ঘরে গরু বাধতে গেলে সে সময় পূর্ব থেকে ওৎপেতে থাকা লম্পট শহিদুল তার স্ত্রীকে জাপটে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় তার স্ত্রী বাঁধা দিয়ে ডাকচিৎকার দিলে শহিদুল তাকে বেদম মারধরে আহত করে পালিয়ে যায়। সে বাড়ীতে না থাকায় ঐদিন রাতে প্রতিবেশীরা আহত ফিরোজা বেগমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে গুরুতর আহত ফিরোজাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। ঘটনার পর থেকে লম্পট শহিদুল কোন মামলা না করার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগে বলা হয়।

ধানসাগর ওয়ার্ডের গ্রামপুলিশ তোফাজ্জেল হোসেন বলেন, শহিদুলের হামলায় ফিরোজা বেগম গুরুতর আহত হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন।