বন্যা তালুকদার, পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি : লাগাতার ভারী বর্ষণে বরগুনার পাথরঘাটাসহ দক্ষিণাঞ্চলের অগণিত কাঁচা রাস্তা ধ্বসে পরেছে। আমন বীজতলা ডুবে গেছে এবং বেরিবাধের বাইরের প্রচুর মাছের ঘের ভেসে গেছে। এ ছাড়াও মুষলধারে বৃষ্টিপাতের ফলে রাস্তার মাটি গলে গেছে। দেখে মনে হচ্ছে যেনো রাস্তার উপরে ঝোলাগুড় ঢেলে দেয়া হয়েছে!

পাথরঘাটার কাঠালতলী ইউনিয়নের কালিবাড়ি মালতীসুন্দরী প্রাইমারী স্কুল সংলগ্ন কাঁচা রাস্তা ধ্বসে গ্রামের পথচারীদের চলাচলে চরম ভোগান্তির সৃস্টি হয়েছে। আসন্ন দূর্গাপুজায় ওই রাস্তাটি দিয়ে গোমস্তাবাড়ি মন্দিরে ভক্তদের আসাযাওয়া প্রায় অনিশ্চিত। বিষয়টি প্রসংগে স্থানীয় গ্রামবাসীর পক্ষে মনতোষ গোমস্তা বলেন, রাস্তাসহ নানাভাবে আমরা অবহেলিত এরই মধ্যে রাস্তায় ধ্বসের ঘটনাটি দুর্ভোগে নতুন মাত্রা যোগ করলো। তিনি দ্রুত রাস্তাটির সংস্কার দাবী করেন।

একই অবস্তার শিকার চরদুয়ানী,কাকচিড়া,রায়হানপুর,কালমেঘা,নাচনাপাড়া এবং পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের বাসিন্দারা। এ সকল ইউনিয়নের কাঁচা রাস্তার বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। নাচনাপাড়ার লাভলু মিয়া এবং কামারহাটের নুরু মিয়া জানান, তাদের গ্রামের রাস্তা গুলো এখন চলাচলের অযোগ্য।

অপরদিকে সদর ইউনিয়নের নিজলাঠিমারা এলাকার বাসিন্ধা পলাশ বলেন, রাস্তার কাদামাটি দিয়ে গারি তো দুরে থাক; মানুষদের চলা-ই দায়।

এদিকে বৃস্টিপাত ও জোয়ারের পানির তোড়ে বেরিবাধের বাইরের প্রায় ২২টি মাছের ঘের ভেসে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

দুর্যোগের কারণে গৃহবন্দী খেটেখাওয়া শ্রমজীবী মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌছেছে।

পাথরঘাটা পৌরশহরের পরিচ্ছন্ন কর্মী নবী হোসেন বলেন,কাজকাম নাই কেমনে যে সংসার চলবে আল্লায়-ই ভালো জানে। তাদের অভিযোগ, সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেনা। এভাবে নিতপ্রয়োজনীয় ভোজ সামগ্রীর দাম লাগামহীন হলে তারা বাঁচবে কী করে?