রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বাগেরহাটের রামপালে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগে স্বামী নাজমুল হাসানের বিরুদ্ধে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন গৃহবধূ সুমাইয়া খাতুন। এক সন্তানের জননী ওই গৃহবধূ স্বামী সন্তান নিয়ে সংসার করার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।

শনিবার বেলা ১১টায় শ্রীফলতলাস্থ তার পিতা মাহামুদ শেখের বাড়ীতে লিখিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, গত ইং ২০১৩ উভয় পরিবারে সম্মতিতে সিংগড়বুনিয়ার নূরুল ইসলাম খোকোর পুত্র নাজমুল হাসানের সাথে বিয়ে হয়। ওই সংসারে হাসিরুন মাহিন নামের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তার স্বামী একজন নারীলোভী ও নারী আসক্ত। সে ৪/৫ টি বিয়ে করেছেন। এরপর জনৈক এক নার্সের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে তার কথায় আমাকে নির্মমভাবে নির্যাতন শুরু করেন। এমনভাবে সে নির্যাতন করে যা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। সে মলত্যাগ করে সেই মল আমার মুখে মুছে দেয়, মুখের মধ্যে পুরে দেয়, এমনকি সে বিভৎস আচরণ করে। তবুও সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে তার সংসার করে আসছি। সে আমাকে তালাক দিয়েছে বলে প্রকাশ করে বলে আমি আবারও বিয়ে করবো। আমি ওই নার্সকেই বিয়ে করবো। দেখি তুই কি করতে পারিস? এই বলে গত ইং ১৫ সেপ্টেম্বর সকালে তার পরিবারের সকলের সমনে আমার সব সোনার গহনা কেড়ে নেয়। আমি বাঁধা দিলে সে নির্মমভাবে মারপিট করে। খবর পেয়ে আমার পিতা বাড়িতে এনে চিকিৎসা করান। এমন অবস্থায় আমি ও আমার পুত্র মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি আইনের কাছে ও প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা ও প্রতিকার চাই।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত রামপাল পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের সহ-শিক্ষক হাওলাদার নাজমুল হাসানের সাথে কথা হলে তিনি সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার স্ত্রী আমার অবাধ্য। তাকে আমি তালাক দিয়েছি। তবে তিনি কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। প্রশ্ন রাখা হয় তার স্ত্রীর অন্য কোন দোষ ত্রুটি আছে কি না? এর উত্তরে জানান, আছে তবে সেটিও তিনি প্রমাণ দেখাতে ব্যর্থ হন