রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বাগেরহাটের রামপালে ইউপি চেয়ারম্যান বাবুলের বিরুদ্ধে হাওয়া বেগম (৫২) নামের এক নারীকে ডেকে নিয়ে নির্যাতন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে বুধবার দুপুরে রামপাল সদরের একটি বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী হাওয়া বেগমের ভাই আবেনূর রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে তিনি জানান, উপজেলার পেড়িখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম বাবুল আবেনূরের বোন হাওয়া কে ডেকে নিয়ে শারিরীকভাবে নির্যাতন করেন।

তিনি জানান যে, তার ভাগিনা এবং শারিরীক নির্যাতনের শিকার হাওয়া বেগমের পুত্র শেখ রোমেল আহম্মদের নামে পেড়িখালী ইউনিয়নের রোমজাইপুর গ্রামের মো. আলমগীর হোসেন, একই গ্রামের মুকুল চেয়ারম্যানের কাছে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযাগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আমার বোন হাওয়া বেগমকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গ্রাম পুলিশ পাঠিয়ে পরিষদে ডেকে নেয়।

আমার বোন চেয়ারম্যানকে জানান যে, তার পুত্র বাড়িতে নেই। এই কথা বলায় চেয়ারম্যান আমার বোনের উপর উত্তেজিত হয়ে বধেড়ক মারপিট শুরু করেন। শারীরিক নির্যাতনের কারণে আমার বোন মাটিতে পড়ে গলে চেয়াম্যান নিজেই তাকে শ্লীলতাহানী ঘটায় এবং হুমকি প্রদান করে বলে তার পুত্রকে যদি এনে না দিস তাহলে তোকে পরিষদে আটকে রাখবো এবং আলম ও মুকুলের সহযাগিতায় প্রায় ৩/৪ ঘণ্টা একটি তালাবদ্ধ একটি রুমে আটক রেখে আমার বোনের উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালান। ঘটনার এক পর্যায়ে চেয়ারম্যানের অমানবিক নির্যাতনের ফলে আমার বোন অচেতন হয়ে পড়ে। তারপর স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে উপজলা স্বাস্ব্য কমপ্লেক্সে এ ভর্তি করা হয়। আমি তদন্তপূর্বক এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করছি।

অভিযোগের বিষয়ে পেড়িখালী ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম বাবুলের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।