ফাইল ছবি

এম. মনিরুজ্জামান, রাজবাড়ী প্রতিনিধি : রাত পোহালেই ঈদ, কর্মস্থল ছেড়ে শেষ সময়ে বাড়ির পথে অসংখ্য মানুষ। ফলে ২১ জেলার মানুষের রাজধানী ছেড়ে বাড়ি ফেরার অন্যতম নৌরুট দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরি ও লঞ্চঘাটে উপচে পড়া ভিড় সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ জুলাই) সকাল থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট থেকে লঞ্চ ও ফেরিতে করে যাত্রীরা দৌলতদিয়া ফেরি ও লঞ্চঘাটে পৌছাছে।

তবে দৌলতদিয়া লঞ্চ ও ফেরি ঘাটে নেই যাত্রীদের মধ্যে স্বাস্থ সচেতনতা। অন্যদিকে লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা হচ্ছে।ফেরিঘাট এলাকায় দেখা যায়, পাটুরিয়া থেকে ছেড়ে আসা ফেরিগুলোতে বাস ও ট্রাকের পাশাপাশি শত শত যাত্রী ফেরিঘাটে আসছে।

দৌলতদিয়া নদী পার হয়ে এসব যাত্রীরা বাসসহ ব্যাটারিচালিত কাভার্ডভ্যান, ইজিবাইকে করে যাত্রীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছেন। তবে দৌলতদিয়া নদীবন্দর এলাকা থেকে অধিকাংশ যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ করেন এসব যাত্রীরা।

পোশাক শ্রমিক মো. আনোয়ার শেখ বলেন, গতকাল ছুটি হওয়ার কারণে আজ সকালে তিনি সাভার থেকে রওনা দিয়েছেন।তবে অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

গাবতলি থেকে ছেড়ে আসা যাত্রী আলেয়া বেগম বলেন, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ১৬টি ফেরি চলাচল করে আসছিলো। সেখান থেকে একটি ফেরি অন্যরুটে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যার কারণে এই রুটে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডাব্লিউটিসির) ম্যানেজার মো. শিহাব উদ্দীন সাংবাদিকদের বলেন, গতকাল সোমবার পর্যন্ত দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে যাত্রী ও যানবাহনে চাপ কম থাকার কারণে একটি ফেরি অন্য রুটে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।আজ হঠাত করে যাত্রীর চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এ জনজট সৃষ্টি হয়েছ।ঈদের পর ফেরত পথে যাত্রীর চাপ এমন থাকার আশংকায় আরো একটি ফেরি এ রুটে যুক্ত হবে।