এম. মনিরুজ্জামান, রাজবাড়ী প্রতিনিধি : রাজবাড়ী জেলায় চলতি বছর পাটের চাষ বৃদ্ধি পেলেও দাম নিয়ে অসন্তুষ্ট চাষিরা। তাদের অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় এবার পাটের দর কম। চলতি বছর পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় সময়মত পাট ঘরে তুলতেও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে কৃষকদের।

এ ছাড়াও সময় মতো বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পাটের আশানুরূপ রং না হওয়ায় ভাল দাম পাচ্বিছে না কৃষকরা। ফলে তাদের উতপাদন থরচও না উঠায় বিপাকে তারা।

বৃহত্তর ফরিদপুরের মধ্যে রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন এলাকায় একসময় প্রচুর পাটের চাষ হতো। পাটের মূল্য কমে যাওয়ায় কৃষক মুখ ফিরিয়ে নেয় পাট চাষ থেকে। তবে বিগত কয়েক বছর ধরে পাটের মূল্য ভালো থাকায় আবারও পাটের চাষ বেড়ে যায়। কিন্তু এবার হঠাৎ পাটের দাম কমে যাওয়ায় আবারও দুশ্চিন্তায় পড়েছে পাট চাষিরা।

বর্তমানে এসব অঞ্চলের ডোবা ও নদীতে কম পানিতে পাট ভিজিয়ে বা জাগ দিয়ে আঁশ ছাড়ানো দৃশ্য চোখে পড়বে সবখানে। কম পানিতে অধিক পাট জাগ দেয়ায় পানি পচে পাটের রং কালচে হয়ে যাচ্ছে। ফলে পাট ছাড়িয়ে উঁচু স্থানে শুকিয়ে হাটে নিয়ে ম দামে বিক্রি করছেন কৃষক।

রাজবাড়ী সদরের মূলঘর এলাকার ছলিম মোল্লাসহ কয়েকজন পাট চাষি জানায়, গত বছরের তুলনায় এবার পাটের দাম ভালো পাচ্ছেন না তারা। গত বছর প্রতি মণ পাট বিক্রি করেছেন ৩৪০০ থেকে ৩৬০০ টাকা। এবার তা বিক্রি হচ্ছে ২২০০ থেকে ২৪০০ টাকায়।

রাজবাড়ী জেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শহিদ নুর আকবর জানান, কৃষকরা পাটের ন্যায্য মূল্য পাওয়ায় আগের তুলনায় কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে পাট চাষ। আমরা কৃষকদের পাট চাষ থেকে শুরু করে আঁশ ছাড়ানো পর্যন্ত বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছি। চলতি বছর

জেলায় এবার ৪৮ হাজার ৯০ হেক্টর জমিতে পাটের চাষ হয়েছে এবং উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৯০হাজার মেট্রিক টন।