মুহাম্মদ ইলিয়াস, রাঙামাটি : রাঙামাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল’র বিশেষ পিপি সাইফুল ইসলাম অভি’র বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের অভিযোগ ওঠেছে। আশালীন আচরণ, শ্লীলতাহানি ও যৌন নিপিড়নের এ অভিযোগ করেছে আদালতে কর্মরত এক নারী কনস্টেবল।

সোমবার বিকেলে রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার’র কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, রাঙামাটি জেলা পুলিশের কনস্টেবল ছদ্ম নাম রূপাঙ্গী। তাকে জেলা সদর কোর্টে নিয়োগ করা হয়। সে সরকারী দায়িত্ব পালনকালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল’র বিশেষ পিপি সাইফুল ইসলাম অভি কর্তৃক নির্যাতিত হয়ে পুলিশ সুপার’র নিকট নিরাপত্তা চেয়ে এ অভিযোগ দায়ের করে ভুক্তভোগী।

মামলার প্রয়োজনে আসা ভিকটিমদের শাররীক, মানসিক ও আর্থিকসহ বিভিন্নভাবে হয়রানির সাথে নতুন করে যুক্ত হলো খোদ নারী পুলিশ কনস্টেবলকে হয়রানির মতো নেক্কারজনক ঘটনা।

তিনি এর ইতোপূর্বেকার কর্মস্থল চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালন কালেও বিচার প্রত্যাশী নারীদের বিভিন্নভাবে হয়রানী নির্যাতন করতো বলে তারই একাধিক সহকর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছে।

আদালত পাড়ায় রাষ্ট্রের হয়ে সেবার নামে নারী নির্যাতনের সাথে জড়িত অভির নেক্কারজনক কর্মে নতুন পালক যুক্ত হলো, নারী পুলিশ কনস্টেবল’র শ্লীলতাহানির ঘটনা। অভিযোগকারী এ নারী কনস্টেবল অভিযোগের স্বপক্ষে কয়েকজন প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী ও যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ উত্থাপন করেছেন।

ভুক্তভোগী নারী কনস্টেবল সামনে না এলেও তার স্বামী এ প্রতিনিধিকে বলেন, বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এখন সেটা কি করা উচিত উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ভালো বুঝবে।

রাঙামাটি জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল’র বিশেষ পিপি এডভোকেট সাইফুল ইসলাম অভি তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগটি সামান্য এবং ভুল বুঝাবুঝি দাবী করে বলেন, আমি মেয়র ও যুবলীগ সেক্রেটারীকে নিয়ে পুলিশ সুপার’র সাথে আলাপ করেছি। বিষয়টি এখন মীমাংসার পর্যায়ে রয়েছে ।

রাঙামাটি জেলা জজ আদালতের পিপি এডভোকেট রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি অ়ভিযোগের কপি পেয়েছি। আমার একশনে যাবার সুযোগ নেই।

রাঙামাটি জেলা আইনজীবী সমিতি সভাপতি এডভোকেট মোক্তার আহমেদ’র মতামত জানতে চাইলে, তিনি এ বিষয়ে মতামত দানে অপারগতা প্রকাশ করেন।

রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার মীর মোদদাছছের হোসেন অভিযোগ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করে এ ঘটনা বিষয়ে বলেন, আদালতের বিষয়, আদালতে খোঁজ নিয়ে দেখেন। আমার এর বাইরে বলা ঠিক হবে না।