রাঙামাটি প্রতিনিধি : তীব্র গরম আর বৈদ্যুতিক লোডশেডিং’র মাঝে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে পাহাড়ি জনপদ রাঙামাটিতে শুরু হয়েছে স্বস্তির বৃষ্টি। স্থায়ীত্ব ছিলো, প্রায় ১ ঘন্টা।

বেশ কিছুদিন ধরে পাহাড়ি জনপদ রাঙামাটির মানুষ তীব্র গরম আর লোডশেডিং মোকাবেলা করে চরম অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। ২০/২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন হলেও, রাঙামাটি জেলার জন্য দেয়া হচ্ছে মাত্র ৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। যে কারনে রাঙ্গামাটি বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগকেও ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে। গ্রাহকগণ মুঠোফোনে খোদ নির্বাহী প্রকৌশলীর ওপর ক্ষোভ ঝাড়ছে। তেমনটি জানালেন, নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুর রহমান।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ টা থেকে শুরু হওয়া এই স্বস্তির বৃষ্টি আশা জাগাচ্ছে কাপ্তাই হ্রদের জলে জলে ফুলে ফেঁপে টুইটুম্বুর হবার। এই মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদে যতটা পানি থাকার কথা, ততোটা নেই। হ্রদের পানি এখনো ১শ এমএসএল’র নিচে রয়েছে। সঠিক সময়ে পর্যাপ্ত পরিমান বৃষ্টিপাত হওয়ায় বিগত বছরের এই সময়ে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ প্রকল্পের ১৬ টি স্পীলওয়ে খুলে দিতে হয়েছে।অথচ চলতি মৌসুমে কর্ণফুলী নদীর উজান অর্থাৎ ভারত থেকে আশানুরূপ পানি নামেনি। হয়নি পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত। যে কারনে কাপ্তাই হ্রদে এ সময়ে যে পরিমান পানি থাকার কথা, সেই পরিমান পানি নেই। মাঝারি ধরনের স্বস্তির এই বৃষ্টিপাত স্থায়ী ছিলো, মাত্র ৫৮ মিনিট।

নিউ রাঙামাটি রিজার্ভ বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি’র যুগ্ম সম্পাদক মো. আব্দুল শুক্কুর বলেন, বৃষ্টিপাত খোদার রহমত। এক ঘন্টার বৃষ্টিতে কিছুই হবে না। পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হলে, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং হ্রদের রূপালী সোনা খ্যাত মৎস্য সম্পদ কমে যাবে। নাব্যতা হারাবে কাপ্তাই হ্রদ। ব্যবসা বানিজ্য ও জীবনযাত্রার উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে যোগ করেন এ ব্যবসায়ী নেতা।