মিজানুর রহমান মিজান, রংপুর অফিস : রংপুর সিটি করর্পোরেশন নির্বাচনে ইভিএমে ফল জালিয়াতি, ভোট দিতে না পারাসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে একের পর এক এলাকায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করছেন পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকরা। এ দিকে নির্বাচন পরবর্তী নানা ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠছে নগরীর বিভিন্ন এলাকা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর শাপলা চত্বরে ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। বেলা ৩টার দিকে ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মাহাবুব মোর্শেদ শামীমের পক্ষে তার কর্মী-সমর্থকরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করতে গাড়ি বহরে মিছিল নিয়ে শাপলা চত্বরে পৌঁছলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এসময় বিক্ষুব্ধরা বাধা পেরিয়ে সামনে যেতে চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।

বিক্ষুব্ধদের অভিযোগ, ভোট কেন্দ্রে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা না করা, ইভিএম জটিলতার কারণে ভোট দিতে না পারা ও ইভিএমে সুক্ষ কারচুপি হয়েছে। এ সব বিষয় তুলে ধরে তারা জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ জানাতে বিক্ষোভ নিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পুলিশ তাদের পথরোধ করে ফিরিয়ে দিয়েছে। এবার ওই ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন শাহাদৎ হোসেন। শামীম গত মেয়াদে কাউন্সিলর ছিলেন।

এ বিষয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতির বিষয়ে কথা বলতে চাইলে শাপলা চত্বর, ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা পুলিশের কোনো কর্মকর্তা কথা বলতে রাজি হননি।

এদিকে ২৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত রংপুর সিটি করর্পোরেশন নির্বাচনে ইভিএমের কারণে ভোট গ্রহণে নানা জটিলতা এবং বিপুল সংখ্যক ভোটার ভোট দিতে না পারার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে ভোটাররা ।

দুপুরে নগরীর ৪, ২০, ২৬, ৩২ ও ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের নারী ও পুরুষ ভোটাররা নগরীতে বিক্ষভ মিছিল করেছে।নগরীর ২০ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটাররা নির্বাচন কমিশনের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। জাকের পার্টির মেয়র প্রার্থী খোরশেদ আলম খোকনের সমর্থকরা শাপলা চত্বরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা প্রদান করেন।