মিজানুর রহমান মিজান, রংপুর অফিস : রংপুরের পীরগাছায় ৫২ বছরের আপন খালুর দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৭ বছর বয়সী ভাগ্নি। এ ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয় জনতা লম্পট খালুকে আটক করে পুলিশে দেয়।

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন পীরগাছার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাসুমুর রহমান।

এ ঘটনায় গতকাল পীরগাছা থানায় ভুক্তভোগির পরিবার একটি ধর্ষণ মামলা করা হয়।

নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরীকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটেছে রংপুরের পীরগাছা উপজেলার ইটাকুমারী ইউনিয়নের দূর্গাচরণ গ্রামে।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ওই ইউনিয়নের মধুরাম গ্রামের ফাতেমা বেগম স্বামীর মৃত্যুর পর ৬ মাস আগে তার আপন বড় বোন ও দুলাভাইয়ের বাড়িতে একমাত্র কিশোরী কন্যা (১৭)কে রেখে কাজের সন্ধানে ঢাকায় যান। এরপর গত ৬ এপ্রিল এবং গত ২০ আগস্ট রাতে আপন খালু শহিদ মিয়া (৫২) তার স্ত্রী সাহেরা খাতুনের সহযোগিতায় আপন ভাগ্নিকে ধর্ষণ করেন। এ কথা কাউকে জানালে মেরে লাশ গুম করার হুমকি দেন খালা ও খালু।

গত ২১ সেপ্টেম্বর ধর্ষিত কিশোরীর মা বাড়িতে আসলে ভুক্তভোগী কিশোরী মাকে সব খুলে বলে। গত এপ্রিল মাস থেকে প্রায় রাতেই তাকে লম্পট খালু ধর্ষণ করতো বলে জানায় মেয়েটি।

এ বিষয়ে মেয়েটির মা ফাতেমা বেগম বাদি হয়ে বোন ও দুলাভাইয়ের নামে অভিযোগ দিলে রাতেই পুলিশ দুলাভাই শহিদ মিয়াকে গ্রেফতার করে। শহিদ মিয়া দূর্গাচরণ গ্রামের মৃত নুরু শেখের ছেলে।

এ ব্যাপারে পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুমুর রহমান বলেন, অভিযোগের পর ধর্ষককে গ্রেফতার করে আজ শুক্রবার জেল হাজতে পাঠানো হয়। ভিকটিম কিশোরীকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।