নিজস্ব প্রতিবেদক, টাঙ্গাইল : আশ্রয়ন প্রকল্প-এর আওতায় মাননীয় প্রধান জননেত্রী শেখ হাসিনার সহায়তায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বিনামুল্যে জমিসহ পাকা ঘর পেলেন ভুমিহীন ৩০ পরিবার। এর আগে জমিসহ পাকা পেয়েছেন ৩৩৭ পরিবার। আজ বৃহস্পতিবার বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ ঘর উদ্ধোধন করবেন।

এ উপলক্ষে মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

এ সময় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর এনায়েত হোসেন মন্টু ,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হাফিজুর রহমান, এসিল্যান্ড মো. আমিনুল ইসলাম বুলবুল, মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ব্যারিষ্টার মো. তাহরীম হোসেন সীমান্তসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, গণমাধ্যমকর্মী এবং উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আশরাফুজ্জামান জানান, মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পে আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় আজ বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) জমিসহ পাকা ঘর পেলেন ৩০ গৃহহীন পরিবার।

এর আগে যাদের জমি ও ঘর নেই গৃহ নির্মান কার্যক্রম সহায়ক হিসেবে মির্জাপুর উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১৪ ইউনিয়নের ৩৩৭ জন অসহায় ভুমিহীন পরিবারকে বিনামুল্যে দুই শতক জমি, একটি করে পাকা ঘর নির্মান করে দেওয়া হয়েছে। নলকুপের পানি, টিউওবয়েল ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাসহ সকল ধরনের সুযোগ সুবিধা রয়েছে তাদের জন্য। উপজেলার ভাতগ্রাম, বহুরিয়া, ভাওড়া, লতিফপুর, আজগানা, বাঁশতৈল, ওয়ার্শি, জামুর্কি, বানাইল, আনাইতারা, মহেড়া ও ফতেপুর ইউনিয়নের প্রায় ১০ একর সরকারী খাস জমিতে গৃহহীন পরিবারকে জমি ও পাকা বাড়ি দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হাফিজুর রহমান বলেন, স্থানীয় এমপি, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যাদের দিক নির্দেশনা ও পরামর্শে ভুমিহীনদের তালিকা প্রনয়ন করে আশ্রয়ন কেন্দ্রে তাদের জমিসহ পাকাঘর নির্মান করে দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও গ্রহহীন পরিবারের তালিকা সংগ্রহ করে তাদের বিনামুল্যে জমিসহ পাকা ঘর উপহার দেওয়া হবে।

আশ্রয় কেন্দ্রে ঠাঁই পাওয়া আছমা খাতুন, কমলা বেগমসসহ অনেকেই বলেন, একটি ঘরের অভাবে রোদ-বৃষ্টি ও ঝড়-তুফানের মধ্যে অনেক কষ্ট করে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছিলাম। আমাদের অসহায় পরিবারের খোঁজ খবর কেউ রাখেননি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের মাথা গোজার ঠাঁই করে দিয়েছেন। জমি, পাকা ঘর তৈরী করে দিয়েছেন। জমিতে সবজি রোপন করেছি। আমাদের সন্তানেরা পড়ালেখা করছে। সারা জীবন আমরা তাদের কাছে ঋণী। এখন আর আমাদের কষ্ট করতে হবে না।