আব্দুর রাজ্জাক, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : মানিকগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী বাংলা লোক গাঁথা “সাত ভাই চম্পা” মঞ্চস্থ হয়েছে। শুক্রবার রাতে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সাত ভাই চম্পার মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা ও অভিনয় শৈলী উপভোগ করেন শত শত দর্শক। সাহিত্য মেলায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে এই সাত ভাই চম্পার নাট্যরুপটি। নাটকটির প্রযোজনায় ছিল মানিকগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমী।

জনপ্রিয় রূপকথার গল্পগুলোর একটি ‘সাত ভাই চম্পা’। দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদারের ঠাকুরমার ঝুলি নামে রূপকথার বইয়ে স্থান পাওয়া গল্পটি থেকে নাট্যরূপ ও নির্দেশনা দেন মানিকগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমীর নাট্য প্রশিক্ষক শাকিল আহমেদ সনেট। নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফরহাদ, শরীফুল, হযরত আলী, মিতু, তানজিলা, সাবা প্রমুখ। এরা সবাই বিভন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং শিল্পকলা একাডেমির শিক্ষানবীশ সদস্য।

মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের আয়োজনে শুরু হওয়া সাহিত্য মেলায় মঞ্চস্থ করা হয় এক ঘন্টার নাট্যরুপ সাত ভাই চম্পা। বাংলা একাডেমির সমন্বয়ে এই মেলার পৃষ্ঠপোষকতা করেন সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলা একাডেমির যুগ্ম সচিব এ এইচ এম লোকমান, মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মহিউদ্দিন, শিল্পকলার কালচারাল কর্মকর্তা সেলিনা সাইয়েদা, জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাবিহা সুলতানা ডলি ও মেহেদী ইমাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, জেলা ডায়বেটিস সমিতির সাধারন সম্পাদক আ ফ ম সুলতানানুল আজম খান আপেল, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সুদেব সাহা, লোক সংষ্কৃতি গবেষক সাইদুর রহমান বয়াতি, বিশিষ্ট সাহিত্য গবেষক মো. আজাহারুল ইসলাম, অধ্যাপক আবুল ইসলাম সিকদার, অধ্যাপক মীর মোকসেদুল আলম, ড. মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর প্রমুখ।

নির্দেশক শাকিল আহমেদ সনেট বলেন, আবহমান বাংলার শেকড়ের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এমন আয়োজন।