খোলাবার্তা২৪ ডেস্ক : মা বাস করেন ভারতের নদীয়া জেলায়। মেয়ে বাংলাদেশের মেহেরপুর জেলায়। শনিবার ভারতের নিজ বাড়ীতে বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন মা। মৃত মাকে শেষ দেখার জন্য মেয়ে আবেদন করেন বিজিবির কাছে।

পরে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির উদ্যোগে ভারতে মৃত্যুবরণকারী মাকে শেষ দেখার সুযোগ করে দিলেন দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি-বিএসএফ। শনিবার বিকাল ৫টার দিকে আনন্দবাস সীমান্তের ১০১ মেইন পিলারের কাছে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে এ ব্যবস্থা করা হয়।

চুয়াডাঙ্গা-৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক শাহ মো. ইশতিয়াক জানান, আনন্দবাস বিওপি এলাকার সীমান্তের মেইন পিলার ১০১ এর কাছে ওপারে ভারতের নদীয়া জেলার চাপড়া থানার ভাতগাছি গ্রামের নাগরিক ওয়াছন বিবি (৯০) বার্ধক্যজনিত কারণে তার নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন। তার মেয়ে বাংলাদেশের মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলার আনন্দবাস গ্রামের উজ্জ্বল শেখের স্ত্রী মোছা. আমিরা খাতুন। ভারতে মৃত মায়ের শেষ দেখার জন্য বিজিবির কাছে আবেদন করেন তিনি।

ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক বলেন, বিষয়টি মানবিক বিবেচনা করে বিজিবি তাৎক্ষণিকভাবে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করে। ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনী-বিএসএফ সম্মতি দিলে শনিবার বিকাল সোয়া ৩টার দিকে আনন্দবাস সীমান্তের ১০১নং মেইন পিলারের কাছে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আমিরা খাতুনের মৃত মাকে শেষবারের মতো দেখার ব্যবস্থা করা হয়।

পতাকা বৈঠকে ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির ব্যাটালিয়নের আনন্দবাস সীমান্ত বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার মনোরঞ্জন সরকার। ভারতীয় নদীয়া জেলা সীমান্ত ভাতগাছি বিএসএফ ক্যাম্পের কমান্ডার এসআই মহেশ শিং উপস্থিত ছিলেন।