একটি মৌন সন্ধ্যা

মাঝে মাঝে নির্মল আকাশের দিকে চেয়ে ভাবি এখানেও প্রতিনিয়ত উড়ে বেড়ায় কত ভুল!
তারাদের মত ওরাও খসে পড়ে ধীরে,
অতঃপর —
হঠাৎ এসে দরজায় কড়া নাড়ে,
অজানা শংকায় দুরুদুরু ভয়ে হাত বাড়াই।
সে হোক আমার সকাল বেলার একমুঠো মিষ্টি রোদ কিংবা
চৈত্রের ভর দুপুরের পৈশাচিক হাওয়া।
প্রাপ্তির ঘরে কিছু যোগ হোক বা
না হোক,
অন্য কিছু পাওয়া।
আমার দূরন্ত অবসরে
যদি কখনো মিলে যায়
দখিন দুয়ারী একমুঠো উষ্ণ অভ্যর্থনা,
তাতে খুশি হতে পারিনা।
নির্ভীক বীরের মত তাকে
পেছন দুয়ারে তাড়াই।
চৈত্রের খরা শেষে যদি আবার
শ্রাবণের প্লাবন ধ্বনি শুনি,
আধমরা স্মৃতিগুলো ফুলে ফেঁপে ওঠে,
সেদিনই খুঁজে নেবো আবার
একটি কাকভেজা মৌন সন্ধ্যা।

অপেক্ষা

পুরনো বলে যাকে দিয়েছো ছুঁড়ে
কষ্ট কেন তবে থাকি যদি দূরে?
ঠিক তোমারই অবয়ব ধরে
ত্রিশটি বসন্ত পার হলে পরে,
আমার জীর্ণ অগোছালো ঘরে,
আজো সেই লাল খামটি পড়ে।
আবেগগুলো আজ উড়ছে ঘুরে
জমা ছিল যা অতি আদরে মুড়ে।
হতাশাকে দাও আজ উড়িয়ে
আমরা গেছি দেখো না বুড়িয়ে,
আর কয়টি বসন্ত গেলে পেরিয়ে,
থাকবো তবে এই হাতে জড়িয়ে।
চলোনা যাই তবে আবার হারিয়ে
অপেক্ষায় রয়েছি তাই দাঁড়িয়ে।