মিরসরাই প্রতিনিধি : সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে মিরসরাই উপজেলার ১১ নং মঘাদিয়া ইউনিয়নে আবারো নৌকার বৈঠা পেয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসাইন মাস্টার। তিনি পুনরায় মনোনয়ন পাওয়ায় কর্মী-সমর্থকদের মাঝে আনন্দের বন্যা বইছে। গ্রামে গ্রামে মিষ্টি বিতরণ চলছে।

মঙ্গলবার রাতে আওয়ামী লীগের স্থানীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভায় মিরসরাইয়ের ১৬ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য দলীয় মনোনয়ন প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গণভবনে বোর্ড মিরসরাইয়ের ১৬ ইউনিয়নে প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করেন। আগামী ১১ নভেম্বর এসব ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

১১ নং মঘাদিয়া ইউনিয়ন থেকে নৌকা প্রতীকে একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকলেও ইউনিয়নে চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ড অব্যাহত থাকায় বর্তমান চেয়ারম্যান, করোনাযোদ্ধা জাহাঙ্গীর হোসাইন মাষ্টার পুনরায় দলীয় মনোনয়ন পেলেন। ২০১৬ সালে প্রথমবারের মত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

জানা গেছে, উপজেলার ১১ নং মঘাদিয়া ইউনিয়নের শেখের তালুক গ্রামের এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর পিতার নাম মরহুম জহুরুল হক। তিলে তিলে সংগ্রাম করে বেড়ে উঠা এই মানুষটি অসহায় ব্যক্তিদের জন্য নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন।

চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর মাষ্টার দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় খুশি এলাকার জনসাধারণ। মঘাদিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মোঃ আলা উদ্দিন বলেন, মঘাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের মধ্যে জাহাঙ্গীর চেয়াম্যানের আমলে সর্বোচ্চ উন্নয়ন এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে ও মাদক নির্মূলে সবচেয়ে কার্যকরি ভূমিকা পালন করেন তিনি।

করোনাকালে তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাঠে সক্রিয় ছিলেন সব সময়। সরকারি সকল প্রদক্ষেপ বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। উন্নয়ন কর্মকান্ড অব্যাহত রাখতে তিনি মনোনয়ন পাওয়ায় আমরা সাধারণ জনগন অনেক খুশী হয়েছি।

জাহাঙ্গীর হোসেন মাষ্টার বলেন, সর্ব প্রথম আমি মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। এরপর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও আমার প্রিয় অভিববাবক, বীর চট্টলার সিংহ পুরুষ, সাবেক সফল মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশারররফ হোসেন এমপির প্রতি। ধন্যবাদ জানাচ্ছি তারুণ্যের অহংকার মিরসরাই এর আগামীর কান্ডারী মাহবুব রহমান রুহেল ভাইকে। যারা বিগত ৫ বছরে আমার কর্মকান্ডকে মূল্যায়ন করে পুনরায় দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমার প্রিয় নেতার নির্দেশে ইউনিয়নে যে কাজ গুলো বাকি সেগুলো সমাপ্ত করে মঘাদিয়া ইউনিয়কে বাংলাদেশের বুকে একটি রোল মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবো। অভাব, দরিদ্রতা, মাদক, অপসংস্কৃতি এসব অন্ধকার দূর করব। আমি যতদিন এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকব ততদিন এ সমাজের অবহেলিত ও দরিদ্র মানুষের কল্যাণে নিজেকে উজাড় করে দিব।