নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি আন্তর্জাতিক প্রাথমিক চিকিৎসা দিবস বা ফার্স্ট এইড ডে পালন করছে। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির যুব ও স্বেচ্ছাসেবক বিভাগের উদ্যোগে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে বিশ্ব প্রাথমিক চিকিৎসা দিবস।

করোনা মহামারির পরিবর্তিত রুপ ও প্রভাবকে গুরুত্ব দিয়ে বিশ্ব প্রাথমিক চিকিৎসা দিবসের এই বছরের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয় ‘ফাস্ট অ্যান্ড এ্যাট স্কুল এন্ড ইন ইউর কমিউনিটি’।

দিনটি উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের দেয়ালিকা প্রতিযোগিতা, প্রাথমিক চিকিৎসা মহড়া, প্রাথমিক চিকিৎসা কুইজ ও সিটি কর্পোরেশনের কর্মচারীদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণ প্রদান ইত্যাদি।

আজ বিশ্ব প্রাথমিক চিকিৎসা দিবস। সকালে সোসাইটির জাতীয় সদর দপ্তরে দিনব্যাপী এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব মো. ফিরোজ সালাহ্ উদ্দিন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সোসাইটির উপ-মহাসচিব মো: রফিকুল ইসলাম, যুব ও স্বেচ্ছাসেবক বিভাগের পরিচালক ইমাম জাফর শিকদার, ডিআরএম, ট্রেনিং ও ইউনিট অ্যাফায়ার্স বিভাগের পরিচালক ইকরাম এলাহী চৌধুরী, সোসাইটির যুব ও স্বেচ্ছাসেবক বিভাগের দায়িত্বরত সহকারী পরিচালক মো, সামসুল ইসলামসহ যুব ও স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ এবং সোসাইটির বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব মো, ফিরোজ সালাহ্ উদ্দিন বলেন, “বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি মানব ও প্রকৃতিসৃষ্ট যেকোনো দুর্যোগে কাজ করে থাকে। আর আমাদের এই কাজ বাস্তবায়নে বড় শক্তি হিসেবে কাজ করে রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকরা।”

তিনি আরো বলেন, “যেকোন দুর্যোগ বা দুর্ঘটনায় হাসপাতালে আনার আগে যদি রোগীদের ভালোভাবে ফার্স্ট এইড দেওয়া যায় তাহলে মৃত্যু ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।” যুব ও স্বেচ্ছাসেবক বিভাগের পরিচালক ইমাম জাফর শিকদার বলেন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দেশের পতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য দায়িত্ববোধ থেকেই সকলকে কাজ করতে হবে, এগিয়ে আসতে হবে। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়ের উপর গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সারা দেশের স্কুলগুলোতে হাতে কলমে প্রাথমিক চিকিৎসা শিক্ষার জন্য বিশেষ কর্মসূচী নিয়েছে। পাশাপাশি কমিউনিটির মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে ঢাকার দুটি সিটি কর্পোরেশন কর্মকর্তাদের ফার্স্ট এইড প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির দেশব্যাপি যে নেটওয়ার্ক রয়েছে ও রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকরা যেভাবে সেবামূলক নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, সেই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সোসাইটি অচিরেই বিশেষ হাইওয়ে ফাস্ট এইড টিম গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।