বগুড়া অফিস : বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, বিএনপি হাসিনা সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না এবং সেই নির্বাচন হতেও দেবে না। বিগত ১৩ বছর অনেক গুম, খুন করেছেন। এখনও সময় আছে, খালেদা জিয়ার কাছে ক্ষমা চেয়ে পদত্যাগ করে চলে যান, তাহলে জনগন পালানোর রাস্তা দেবে। নইলে পালাতেও পারবেন কিনা তা জনগণ জানে।

তিনি বলেন, বক্তব্য ও স্বপ্নে দেশ স্বাধীন হয়নি, গণতন্ত্রও ফিরবে না। তাই আমাদের নেতা তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ যাবে কোন পথে, ফায়সালা হবে রাজপথে। প্রতিটি মানুষের সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। সেই অধিকার আদায়ে যেকোন পথ বেছে নিতে পারে।

তিনি আরো বলেন, আর মার খাব না, শক্ত হাতে প্রতিহত করা হবে। জনগন দীর্ঘস্থায়ী আন্দোলন চায় না। তারা চায় দ্রুত হাসিনা সরকারের বিদায়। তাই আপনারা প্রস্তুতি নিন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী দিনে রাজপথের আন্দোলনেই হাসিনার পতন ঘটানো হবে।

তিনি শনিবার বগুড়া জেলা বিএনপির উদ্যোগে শহরের নবাববাড়ী রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে দ্রব্য মূল্যের উর্দ্বগতি ও দেশব্যাপী আওয়ামী সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত বিরাট সমাবেশে এসব কথা বলেন।

জেলা বিএনপির আহবায়ক ও পৌর মেয়র রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, কেন্দ্রীয় সহসাংগাঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান চন্দন, জেলা যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল ইসলাম , ফজলুল বারী বেলাল ও মোশারফ হোসেন এমপি, সাবেক সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম, আলী আজগর তালুকদার হেনা, জয়নাল আবেদীন চাঁন, মাহবুবর রহমান হারেজ, লাভলী রহমান, আহসানুল তৈয়ব জাকির, এম আর ইসলাম স্বাধীন, খায়রুল বাশার, তৌহিদুল আলম মামুন, মাফতুন আহদে খান রুবেল, মনিরুজ্জামান মনি প্রমুখ।

জেলার প্রতিটি উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল সহকারে সমাবেশে যোগ দেন। বিপুল সংখ্যক নেতাকমী এতে অংশ নেন। সমাবেশ ঘিরে শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ও স্থানে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করে পুলিশ।