গত ২২ ও ২৩ এপ্রিল বিভিন্ন নিউজপোর্টাল, পত্রিকা ও অনলাইন চ্যানেলে মিথ্যা অভিযোগে মানববন্ধনের বরাদ দিয়ে আমার বিরুদ্ধে যে সংবাদ প্রচারিত হয়েছে আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। কারণ সংবাদটি সম্পূর্নই মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও সড়যন্ত্রমূলক।

প্রকৃতপক্ষে আমার বাবার কাছে প্রতিবেশি মুনছুর রহমান পাইক জমির দখল বুঝে দিয়ে বায়না হিসাবে ৫ লাখ টাকা গ্রহণ করে জমি বিক্রয় করে। যাহা ৩০০ টাকা মূল্যের ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিত প্রমাণ রয়েছে। কিন্তু মুনছুর রহমান একজন প্রতারক ও চিটার প্রকৃতির লোক। তার বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণা ও চেকজালিয়াতির মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ায় সে ৬ বছর ধরে আত্মগোপন করে থাকায় আজো জমি রেজিষ্ট্রি (দলিল) করে দেয়নি।

তার ছেলে ফেরদৌস পাইক আমাদের ক্রয়কৃত ওই জমিতে লাগানো ফসল নষ্ট করে দেয় এবং আমার মাকে মারপিট করে। এ ঘটনায় প্রসিকিউশন মামলায় ফেরদৌসসহ ৫ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তার ভাই শামীম উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আমার বিরুদ্ধে পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ দেয়।

এ ছাড়া গ্রেফতারকৃত আসামিরা জামিনে আসার পর গত ২২ এপ্রিল পুলিশের তালিকাভূক্ত কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী ও গ্রামের কয়েকজন ঘুসঘোর দালালকে ভাড়া করে এনে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে মানববন্ধন করে অপপ্রচার চালিয়েছে।

এ ধরণের সড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা, বানোয়াট, সাজানো ও ভিত্তিহীন অপ্রপচারের আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

মো: রেজাউল ইসলাম, পিতা মো: আব্দুস সালাম, গ্রাম: নরদাশ পূর্বপাড়া, বাগমারা, রাজশাহী।