বন্যা তালুকদার, পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি : বরগুনার পাথরঘাটা থেকে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকায় নোয়াখালী হাতিয়া উপজেলার সন্দীপের এফবি নিশান ফিস নামের একটি মাছ ধরে ট্রলার ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ১০ জেলের ৭ জেলে উদ্ধার।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পাথরঘাটার মিজান মল্লিকের মাছধরা ট্রলারে করে পাথরঘাটা বিএফডিসি ঘাটে নিয়ে আসা হয়।

উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন আফসার আলী (৪২), সোহেল (৩৫), শামীম (৩৪), ইমরান (৩০), জাফর (৩০), মনির (৩৫) ও রাশেদ(৩৮)। এদের সকলের বাড়ি নোয়াখালীর হাতিয়ায়।

জেলেরা জানিয়েছে ঘটনার সময় তারা সর্বমোট ৮টি ট্রলার ডুবে যেতে দেখেছেন।

জেলেদের উদ্ধারের খবর পেয়ে বিএফডিসি ঘাটে ছুটে যান পাথরঘাটার গণমাধ্যম কর্মী, মৎস্য ব্যবসায়ী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং জেলা ট্রলার মালিক, শ্রমিক সমিতি, আড়ৎদার সমিতি, মৎস্যজীবী এবং পাইকার সমিতির নেতাকর্মীরা।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবি ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, পাথরঘাটার জেলেরা এখন পর্যন্ত নিরাপদ থাকলেও নিখোঁজ রয়েছেন অন্যান্য এলাকার মাছধরা জেলেরা।

গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, কয়েকদিন আগে রসদ সামগ্রী নিয়ে এফবি নিশান ফিস ট্রলারটি গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারের জন্য যায়। নিম্নচাপের কারনে সাগর উত্তাল থাকায় বুধবার সকাল ৮টার দিকে বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকায় ট্রলারটি ডুবে যায়।

সাগরে মাছ শিকারের সময় বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা মিজান মল্লিকের মালিকানাধীন এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারের মাঝি আবুল কালাম ২ জেলেকে ভাসতে দেখে উদ্ধার করেছে। তারা হলেন আফছার হোসেন ও সোহেল মিয়া। অপরদিকে ৪ জেলে ভাসতে ভাসতে পটুয়াখালীর মহিপুরে উঠেছে।