বগুড়া অফিস : বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) এর চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেরাজ হোসেন ফাহিমকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় বাবা-ছেলেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গোয়েন্দা বিভাগ ও সদর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে গত বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) বগুড়া সদর ও সোনাতলা উপজেলার বালুয়াহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- বগুড়া শহরের মালগ্রাম চাপড়পাড়া এলাকার মৃত মনছুর ব্যাপারীর ছেলে ফরিদ ব্যাপারী (৫০) এবং ফরিদের ছেলে শাকিল ব্যাপারী (২৫) । তাদের শজিমেকের সামনে বিভিন্ন রকমের খাদ্যসামগ্রী বিক্রির দোকান রয়েছে। এ ঘটনায় ব্যবহৃত চাকু উদ্ধার করা হয়েছে। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শজিমেকের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিম হাসপাতালের সামনে ফরিদের ভাজা পোড়ার দোকানে নাস্তা খাওয়ার জন্য যায়। নাস্তা খাওয়ার সময় আলুর চপের মধ্যে ময়লা থাকায় ফাহিমের সাথে ফরিদের কথাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ফরিদের ছেলে শাকিল তার হাতে থাকা পেয়াজ কাটার ধারালো চাকু দিয়ে ফাহিমের বামপাজরে আঘাত করে। এতে গুরুতর জখম অবস্থায় ফাহিম চিৎকার দিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতালে নেয়া হয়। ফাহিম বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় রাতেই শিক্ষার্থীরা হাসপাতালের সামনে সড়ক অবরোধ করে এবং অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানায়।

বগুড়া জেলা পুলিশের মুখমাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরাফত ইসলাম বলেন, শজিমেকের শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় অভিযুক্ত বাবা-ছেলেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।