বগুড়া প্র্রতিনিধি : বগুড়া শহরের কানছগাড়িতে প্রকাশ্যে খায়রুল ইসলাম সুমন (২৮) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার রহস্য ৬ দিনের মাথায় উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গ্যারেজের খোলা জায়গায় প্রস্রাব করতে বাধা দেওয়া নিয়ে তর্ক-বিতর্কের জের ধরে সুমন খুন হয়েছে বলে পুলিশ জানায়। ওই খুনের ঘটনায় জড়িত বাবু মিয়া (২৭) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে বগুড়ার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন বগুড়ার পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী।

পুলিশ জানায়, ২৯ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টায় কানছগাড়িতে ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে সুমনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। এরপর অপরাধীরা পালিয়ে যায়।

পুলিশ তদন্তে নেমে বাবুকে গ্রেপ্তার করে। বাবু বগুড়া শহরের কানছগাড়ি এলাকার আব্দুস সামাদের ছেলে। তিনি ফার্নিচারের দোকানে কাজ করেন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বাবু জানান, ঘটনার দিন সুমন অপর এক যুবকের সঙ্গে তার প্রাইভেটকার নিয়ে ওই এলাকায় যায়।

তারা দু’জন কথা বলার এক ফাঁকে সুমন পাশের গ্যারেজের ভেতরের খোলা জায়গায় দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে সেখানে থাকা বাবুর সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক হয়।

একপর্যায়ে বাবু তার এক সহযোগীকে নিয়ে সুমনের ওপর হামলা করেন। তাদের কবল থেকে বাঁচতে সুমন একটি ওষুধের দোকানে ঢোকে, তার ভেতরে গিয়েও বাবু ও তার সহযোগী ছুরিকাঘাত করলে সুমন মারা যান।

পরে সুমনের বাবা রংপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের হেডক্লার্ক আব্দুল খালেক বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। গত রোববার রাতে কাহালু উপজেলার মুরইল এলাকা থেকে বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার অপর সহযোগী গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন পুলিশ সুপার।