মিজানুর রহমান মিজান, রংপুর অফিস : ট্রাফিক পুলিশের মামলায় অতিষ্ট হয়ে রংপুরের রেডিও সেন্টারের সামনে রংপুর-গংগাচড়া ও মহিপুর শেখ হাসিনার সেতুর প্রধান সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে সিএনজি চালক’ ও শ্রমিকরা।

রংপুর মহানগরীর কেন্দ্রীয় বেতারের সামনের সড়ক অবরোধ করেন সিএনজি চালক ও শ্রমিকরা। মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে এই অবরোধের ঘটনা ঘটে। অবরোধকারীরা এই প্রধান সড়কটি প্রায় দুই ঘন্টা ব্যাপী অচল করে সকল যান চলাচল বন্ধ করে সরকটি অবরোধ করে রাখেন আন্দোলনরত সিএনজি চালক ও শ্রমিকরা।

অবরোধকারীদের অভিযোগ, গত কয়েকদিন ধরে গ্যাস চালিত সিএনজি গুলো আটক করে পনেরো থেকে বিশ হাজার টাকা জরিমানা করছে রংপুর মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশ। সেই সাথে বেশকিছু সিএনজি পুলিশ হেফাজতে রাখেন। এতে সিএনজি মালিক ও চালকরা অসহায় হয়ে শত আকুতি- মিনতি করেও লাভ হয়নি তাদের। কয়েকদিন ধরে নিয়মিত জরিমানার স্বীকার হচ্ছেন দরিদ্র এই সিএনজি চালকেররা। এতে সিএনজি চালক ও মালিকরা পরিবার-পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়ে যায়।

এরই ধারাবাহিকতায় সিএনজি চালকরা মোঙ্গলবার বিকাল ৫,টার দিকে প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপী রংপুর- গংগাচড়া ও মহিপুর শেখ-হাসিনা সেতুর একমাত্র সড়কে সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ কড়ে দেন। পরে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অবরোধকারীদের সাথে আলোচনা করে, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে একটি সুষ্ঠু সমাধান করার আশ্বস্ত করলে অবরোধ তুলে নেয় অবরোধকারী শ্রমিকরা।

সিএনজি চালকরা জানান, মেট্রোপলিটন পুলিশ তাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন। আন্দোলন স্থলে পুলিশ এসে শ্রমিকদের সকল দাবী শ্রমিক রেজুলেশন করে, একটি আবেদনের মাধ্যমে মেট্রোপলিটন কমিশনার বরাবর প্রেরণ করতে বলেন। আবেদনে সিএনজি শ্রমিকদের সকল দাবি-দাওয়া উল্লেখ করতে বলেন। সেই সাথে সড়ক অবরোধ তুলে নেয়ার অনুরোধ জানান। পরে আন্দোলনরত সিএনজি শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেন।

ট্রাফিক পুলিশের টিআই দেলোয়ার হোসেন বলেন, যাদের সিএনজি’র প্রয়োজন কাগজ পত্র নেই শুধু তাদের গাড়িগুলোকে জড়িমানা কড়া হয়েছে। আইনের বাইরে কোন কিছুই করা হয়নি বলে জানান এই ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তা।