জাকির হোসেন, পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি : শীতের আগমনে ঠাকুরগাঁয়ের পীরগঞ্জে লেপ-তোষক কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন।

এবার শীতের আমেজ আগেই টের পাওয়ায় জনসাধারণের ভীর জমতে শুরু করেছে লেপ-তোষকের দোকানে। তুলা ও লেপের কাপড় ফোম এবং মুজুরী গত বছরের তুলনায় খরচ কিছুটা বেশী বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

এদিকে দেশের উত্তরের জনপদ ঠাকুরগাঁওয়ে পীরগঞ্জে সন্ধ্যা বাড়ার সাথে সাথেই শীতের তীব্রতা দেখা দিচ্ছে। এই শীতে উষ্ণতা ছড়াতে লেপ-তোষক কম্বলের যেন জুড়ি নেই।

পীরগঞ্জের লেপ-তোষকের দোকান গুলোতে চলছে লেপ বানানোর ধুম যেন দম ফেলার ফুসরত নেই তাদের।

এবার আশ্বিন কার্তিক মাস থেকেই জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মোটামুটি শীত শুরু হয়েছে অগ্রায়ন থেকে শীতের তীব্রতা বাড়বে বলে মনে করছেন অনেকেই।

আগে ভাগে শীত শুরু হওয়ার কারণে অর্ডার বেশি পাওয়ায় লেপ তোষকের কারিগরেরা খুব ব্যস্ত সময় পার করেছে লেপ বানানোর কাজে।

আদি যুগ থেকে শীতের হাত থেকে বাঁচতে লেপের ব্যবহার যেন অপরিহার্যভাবে চলমান রয়েছে। তাই লাল কাপড়ে তুলা ভরিয়ে সেলাইয়ে ব্যস্ত সময় অতিক্রম করছেন লেপ-তোষকের কারিগররা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পীরগঞ্জের প্রায় অর্ধ-শতাধিক লেপ-তোষকের দোকান রয়েছে। শীত মৌসুমি ব্যবসায়ীরা রেডিমেট লেপ তোষক তৈরি করে তা বিক্রি করছেন।

লেপ কিনতে আসা পীরগঞ্জ উপজেলার জাবরহাট ইউনিয়নের জাতীয় পার্টির নেতা মাহাবুবুর রহমান বুলু জানান, আমি ২টি লেপ কিনতে এসেছি এবার একটু তুলোর দাম বেশি তাই লেপের দাম চড়া।

পীরগঞ্জ উপজেলার পূর্ব চৌরাস্তায় দেখা যায় যান্ত্রিক মেশিনে তুলা প্রস্তুত করে লেপ-তোষক বানানো হচ্ছে।

লেপ তোষক কারিগর কালা মিয়া বলেন, প্রায় ২মাস ধরে চলছে লেপ বানানোর কাজ। আরও পুরো শীত জুড়ে চলবে এই কাজ। কাঁচামাল ও মজুরি মিলিয়ে এক একটি লেপের খরচ পড়ে প্রায় এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত। তুলার বিভিন্ন ধরণ অনুযায়ী লেপ বানানোর খরচ কিছুটা কমবেশী হয়ে থাকে।