বন্যা তালুকদার, পাথরঘাটা (বরগুনা) : শহীদ মনিরুজ্জামান বাদলের ভাগ্নে নাজমুল হক পিয়াস ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-সম্পাদক হওয়ায় পাথরঘাটা ছাত্রলীগ ও আওয়ামী পরিবারের মাঝে আনন্দ উল্লাস।

১৯৯২ সালের ৯ জানুয়ারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামশুন্নাহার হলের সামনে আততায়ীর বুলেটের আঘাতে তৎকালীন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক থেকে ছাত্রলীগের সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার মূহুর্তে শহীদ হন পিয়াসের মামা মনিরুজ্জামান বাদল।

পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি মরহুম সিরাজুল হক জমাদ্দারের কনিষ্ঠ পুত্র নাজমুল হক পিয়াস কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক হওয়ায় স্থানীয়রা বলছেন যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়েছে।

এই তরুণ ছাত্রলীগ সদস্যের পরিবারে রয়েছে বর্ণঢ্য রাজনৈতিক পরিচয়। পিয়াসের মামা বাগেরহাটের শরণখোলার কৃতি সন্তান শহীদ মনিরুজ্জামান বাদল ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি। নানা মরহুম নাসির উদ্দিন আকন ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি। মামা মরহুম কামাল উদ্দিন আকন ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি। মামাতো ভাই রায়হান উদ্দিন শান্ত তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা এবং শরণখোলার বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান।

অপরদিকে বাবা মরহুম সিরাজুল হক জমাদ্দার আমৃত্যু আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত কর্মী ছিলেন। মা মোসা: জুলেখা আক্তার পুতুল পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।বড় ভাই জহিরুল হক তুষার পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহপ্রচার সম্পাদক। মেজ ভাই জিয়াউল হক তিতাস চরদুয়ানী ইউনিয়ন শ্রমিকলীগ এর সভাপতি।বড় বোন রাজিয়া সুলতানা সুমি বরগুনা জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য। ভগ্নিপতি এডভোকেট জিয়া উদ্দিন হিমু সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যিক সম্পাদক বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগ। ফুফু জাহানারা জানু চরদুয়ানী ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সহ পিতৃকূল ও মাতৃকূলের প্রায় সকলেই বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন এবং আছেন।

এলাকাবাসী মনে করেন নাজমুল হক পিয়াসকে ছাত্রলীগে সহ-সম্পাদক পদে অধিষ্ঠিত করা সময়োপযোগী হয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সম্পাদকসহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্থানীয় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।