রাজবাড়ী প্রতিনিধি : রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মাসিক আইন-শৃংখলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির একাধিক সভায় রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিম এমপি বালু কাটা বন্ধের ব্যাপারে কঠোর হুঁশিয়ারী দেওয়ার পরও বিভিন্ন সময় সংঘবদ্ধভাবে বালুখেকোরা পদ্মা নদী থেকে প্রকাশ্যে বালু উত্তোলন করে ব্যবসায় করে আসছে।

জানা গেছে, পাংশার হাবাসপুরের এক প্রভাবশালী ব্যক্তি এমপি ও প্রশাসনের হুঁশিয়ারীর কোন তোয়াক্কা না করে প্রতিনিয়তই প্রকাশ্যে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশ একাধিকবার অভিযান চালিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিলেও কিছুদিন পরপরই কোন এক অদৃশ্য শক্তির শক্তিতে বলিয়ান হয়ে পুনরায় বালু কেটে বিক্রি করে ওই মহলটি। এদের আশ্রায়-প্রশ্রয়দাতা কারা, কারা পান এসব বালু উত্তোলনের টাকার ভাগ এ যেন ধরা-ছোয়ার বাইরেই থাকছে।

ডিসেম্বরের শেষ দিকে পাংশা থানা পুলিশ কয়েকজন বালু উত্তোলনকারীকে গ্রেফতার করে মাটি-বালু আইনে মামলা দেয়। এর আগেও উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)র নেতৃত্বে ভ্র্যামমান আদালত পরিচালনা করে বালু উত্তোলনকারীদের জেল ও জরিমানা দেয়। এর পরও বর্তমানে পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের হাবাসপুর খেয়াঘাট এলাকায় বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।

এলাকার সাধারণ মানুষ বলেন, স্থানীয় প্রভাবশালী এক ব্যাক্তি এ বালু উত্তোলন করছেন। তিনি এলাকায় ব্যাপক প্রভাবশালী। বিভিন্ন সময় অভিযান হলেও তিনি থাকেন ধরা-ছোয়ার বাইরে।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ আলী বলেন, আমরা একাধিকবার অভিযান চালিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধ করেছি। এখনও যদি কেউ এ কাজ করে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।