কাজী খলিলুর রহমান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি : পদ্মা সেতু উদ্বোধনী দিনে ঝালকাঠি থেকে পাঁচ হাজার মানুষ যাবেন মাওয়ায়। ঝালকাঠির দুটি সংসদীয় আসন থেকে দুটি লঞ্চ ২৪ তারিখ বিকালে ছেড়ে যাবে কাঁঠালবাড়ী ঘাটের উদ্দেশে। ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য আমির হোসেন আমু এবং ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য বজলুল হক হারুন নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকার দলীয় নেতাদের নির্দেশনা দিয়েছেন আগ্রহীদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নিয়ে যেতে।

রাত পোহালেই দ্বার খুলবে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অবকাঠামো পদ্মা সেতুর। এই আনন্দ ছড়িয়েছে সব প্রান্তে। দক্ষিণের জেলা ঝালকাঠির চারটি উপজেলায় এখন সাজ সাজ রব। ব্যানার-ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে চারপাশ। উৎসবের আমেজ সর্বত্র।

পৌর শহরের প্রবেশদ্বারে ঝলমলে বাতি এবং রঙিন পতাকা দিয়ে সুসজ্জিত করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতারা বলছেন, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধনের খবর সর্বস্তরে জানান দিতে এমন আয়োজন।

পুরো আয়োজন দেখভাল করছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির।

তিনি বলেন, শুক্রবার রাত ৮টায় ঝালকাঠি লঞ্চ টার্মিনাল থেকে মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ী ঘাটের উদ্দেশে সুন্দরবন-১২ নামের একটি লঞ্চ ছেড়ে যাবে। ঘাট ছাড়ার পরে লঞ্চটি নলছিটি উপজেলায় ভিড়বে সেখানকার যাত্রী নেয়ার জন্য।

এর আগে দুপুরে কাঠালিয়া উপজেলা লঞ্চঘাট থেকে ছেড়ে রাজাপুর উপজেলার বাদুরতলা লঞ্চঘাটে ভিড়বে ফারহান-৭ নামের আরও একটি লঞ্চ। সেখান থেকে যাত্রী নিয়ে ঝালকাঠি হয়ে একসঙ্গে পদ্মার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।’সবার জন্য ফ্রি ভাড়া এবং খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে ঝালকাঠিতে ব্যপক কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। ২৫ জুন উদ্বোধনী দিনে সকাল ৯টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বর থেকে র‌্যালি বের হবে। সকাল সাড়ে ৯টায় ঝালকাঠি শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পচার করা হবে। শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে জেলা প্রশাসন। স্টেডিয়ামে বড় পর্দায় দেখানো হবে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি। সন্ধ্যা ৭টায় আলোচনা সভা এবং রাত ৮টায় দেশ বরণ্য শিল্পিদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও রাত ৯টায় আতোশবাজি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে সব প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী।