নীলফামারী প্রতিনিধিকিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা : অতি বৃষ্টির কারণে আগাম আলুক্ষেতে পচন ধরায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে নীলফামারী কিশোরগঞ্জ উপজেলায় আগাম আলুচাষীরা। পচন ধরা আলুক্ষেত নষ্ট করে হালচাষ দিয়ে নতুন করে আবারও আলু চাষের প্রস্তুতি নিছেন তারা।

অধিক মুনাফার আশায় কিশোরগঞ্জ উপজেলায় প্রতিবারে মতো এবারো ভাদ্র ও আশ্বিন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হয় আগাম আলু চাষ। কিন্তু আশ্বিন কার্তিক মাসের বৃষ্টিপাতে উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের অনেক কৃষকের আলু ক্ষেত পচে নষ্ট হয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা আবারো ধার-দেনা করে জমি প্রস্তুত করে আলু রোপণ করে। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি। এর পর সেই রোপণকৃত আলু তীব্র তাপদাহে আবারো পচন ধরে নষ্ট হয়ে যায়।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, বাহাগিলী ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি পশ্চিমপাড়া গ্রামের আলমগীর হোসেনের ৪ বিঘা, সাজ্জাদ হোসেন বাদশার ৪ বিঘা, শামসুল হকের ২ বিঘাসহ অন্য কৃষকের ৩০ থেকে ৪০ দিন বয়সী আলু ক্ষেতে পচন ও চারা ঝিমিয়ে পড়ায় তারা হালচাষ দিয়েছেন নতুন করে আবারো আলু চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

তারা জানান, বেশি দাম পাওয়ার আশায় আগাম আলু রোপণ করেছি, কিন্তু এবারের বৈরী আবহাওয়ায় আলু চারা নষ্ট হয়ে গেছে। কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের কেশবা গ্রামের আব্দুল মতিন বলেন, আমি ২ বিঘা জমিতে আগাম আলু পরপর দুই বার রোপণ করেছিলাম, সে আলু পচে নষ্ট হয়ে গেছে। আবারো তৃতীয় বারের মতো আলু রোপণের চেষ্টা চালাচ্ছি। জানিনা এবার কপালে কি হবে।

কিশোরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার হাবিবুর রহমান বলেন, চলতি বছর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ৪ হাজার ১৪০ হেক্টর জমিতে আগাম আলু চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে। আশ্বিন, কার্তিক মাসের বৃষ্টিপাত এবং খরায় কিছু কৃষকের আলু পচে নষ্ট হয়ে গেছে।