ছবি: সংগৃহীত

খোলাবার্তা২৪ ডেস্ক : বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেছেন, সম্প্রতি নিউমার্কেটে ব্যবসায়ী ও ছাত্রদের মধ্যে যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে- সেটার জন্য ছাত্রলীগ ও পুলিশই দায়ী।  অথচ এখন তারা বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে মামলা দিয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।

শুক্রবার বিকালে রাজধানীর লেডিস ক্লাবে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ) আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারের ব্যর্থতায় দেশে দুঃসহ অবস্থা তৈরি হয়েছে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ক্ষমতাসীন সরকার দেশের মানুষের কথা বলাসহ সব অধিকার কেড়ে নিয়ে বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। এমতাবস্থায় গণতন্ত্র রক্ষা ও পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে দলমত নির্বিশেষে সব পেশাজীবীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার পর থেকেই কৃষি খাতসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে অনবদ্য ভূমিকা পালন করে আসছে।’

অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

জেডআরএফের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনারের সভাপতিত্বে ও জেডআরএফের ইফতার মাহফিল উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ডা. পারভেজ রেজা কাকনের পরিচালনায় আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ইফতার মাহফিল উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান।

এ ছাড়া ইফতার মাহফিলে অংশ নেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রোভিসি অধ্যাপক আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন একাংশের সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, জাতীয় প্রেস ক্লাবের বর্তমান সভাপতি ইলিয়াস খান, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন একাংশের সভাপতি কাদের গণি চৌধুরী, সাবেক সভাপতি আব্দুল হাই শিকদার, বিএনপির প্রকৌশলী আ ন হ আক্তার হোসেন, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, রকিবুল ইসলাম বকুল, আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া, রিয়াজ উদ্দিন নসু, প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন, কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম, ব্যারিস্টার মীর হেলাল, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, বিএনপির চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের শায়রুল কবির খান, শামসুদ্দীন দিদার, জেডআরএফের অধ্যাপক ড. আবদুল করিম, অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীম, ডা. সৈয়দা তাজনীন ওয়ারিস সিমকী, প্রকৌশলী খালিদ হাসান চৌধুরী পাহিন, প্রকৌশলী মাহবুব আলম, প্রকৌশলী কেএম আসাদুজ্জামান চুন্নু, রাকিবুল হাসান চৌধুরী, কৃষিবিদ আনোয়ারুন নবী মজুমদার বাবলা, শফিউল আলম দিদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের মোস্তাফিজুর রহমান, আব্দুল কাদির ভুইয়া জুয়েল, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, মো. হারুন-অর-রশিদ, কৃষক দলের শহিদুল ইসলাম বাবুল, যুবদলের সাইফুল আলম নীরব, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, নূরুল ইসলাম নয়ন, খন্দকার এনামুল হক এনাম, রবিউল ইসলাম নয়ন, মৎস্যজীবী দলের আব্দুর রহিম, তাঁতী দলের আবুল কালাম আজাদ, মহিলা দলের আফরোজা আব্বাস, হেলেন জেরিন খান, ওলামা দলের শাহ মোহাম্মদ নেছারুল হক, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম তালুকদার, ছাত্রদলের কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ, সাইফ মাহমুদ জুয়েল, রাকিবুল ইসলাম রাকিব প্রমুখ।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমরা সংগঠন শক্তিশালী করছি। যারা বলে বিএনপি আন্দোলন করে না। রোজা গেলে বুঝতে পারবেন আন্দোলন কাকে বলে। আমাদের আন্দোলন চলছে। হয়ত সাময়িক বিরতি আছে। বিরোধী দলকে জেলে ভরে কেটে-মেরে বলছেন দেশে শক্তিশালী বিরোধী দল নেই। মনে রাখবেন, বিএনপি এখনো আছে এবং থাকবে। যার নেতৃত্বে রয়েছেন আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।’