তেজগাঁও নাখালপাড়া যুব কল্যাণ সংঘের আয়োজনে গত রোববার ৬ জুন আছর নামাজের পর নাখালপাড়া বড় মসজিদে ২০২২ সালে হজ্বাযাত্রীদের নিয়ে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন নাখালপাড়া যুব সংঘের সভাপতি ও ২৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ আল মঞ্জুর। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংঘের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব ছাদিকুর রহমান হিরু।

সভা সঞ্চালন করেন সংঘের সেক্রেটারী যুব নেতা মোঃ মোক্তার হোসেন খাঁন ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জিল্লুর রহমান।

অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন মহাখালী বাস টার্মিনাল শ্রমিক নেতা আলহাজ্ব শহীদুল্লাহ সদু, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল আওয়ামী লীগ সেক্রেটারী ইঞ্জিনিয়ার আলহাজ্ব কাজী রেজাউল হক রেজা, পুরাতন বিমান বন্দর কোয়ার্টার মসজিদের মুতাওল্লি সুফী সাদক মোঃ সিরাজুল হক, নাখালপাড়া বড় মসজিদের মুতয়াল্লি আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, সংঘের প্রাক্তন সেক্রেটারী মোঃ মশিউল হক মনা, সাংবাদিক কাজী মজিবুর রহমান, নাখালপাড়া হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল জাব্বার হাওলাদার, বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও খতিবগণ।

আলোচনার শুরুতে পবিত্র তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। কুয়েতী মসজিদের ইমাম হযরত মাওলানা লিয়াকত আলী তালবিয়া দিয়ে আলোচনা শুরু করেন। তিনি বলেন, হজ্বে ৩টি ফরজ- এহরাম বাঁধা, আরাফাতে কিছু সময় উপস্থিত থাকা (সূর্যোদয়ের পর থেকে সূর্যাস্তের পূর্বে) ও তোয়াফে জিয়ারত। আর ৬টি ওয়াজিব। তিনি বলেন, ৪টি স্থান- মক্কা, মিনা, আরাফাত, মোজদালিফায় অবস্থান এবং ৫ দিনের নির্ধারিত দোয়া কার্যক্রম সম্পন্ন করা হলো হজ্ব। আল্লাহতায়ালার নির্দেশনা হলো- ‘এতে রয়েছে মাকামে ইব্রাহীমের মত প্রকৃষ্ট নিদর্শন। আর যে লোক এর ভেতরে প্রবেশ করেছে, সে নিরাপত্তা লাভ করেছে। আর এ ঘরের হজ্ব করা হলো মানুষের উপর আল্লাহর প্রাপ্য; যে লোকের সামর্থ্য রয়েছে এ পর্যন্ত পৌঁছার। আর যে লোক তা মানে না। আল্লাহ সারা বিশ্বের কোন কিছুরই পরোয়া করেন না।’ (সূরা এমরান: ৯৭)। সূরা আলহাজে ‘মানুষের নিকট হ্জ্ব-এর ঘোষণা করে দাও, উহারা তোমার নিকট আসবে পায়ে হেঁটে এবং সর্ব প্রকার ক্ষীণকায় উটের পিঠে সওয়ার হয়ে দূর-দূরান্ত থেকে।’

যুব সংঘের সভাপতি ও ২৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল্লাহ আল মঞ্জুর উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান। তিনি প্রতিবাদের মত এবারও হজ্বযাত্রীদের দোয়া মাহফিল করতে পারায় আল্লাহর শুকরিয়া জানান। তিনি বলেন, হজ্বে গেলে নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। সকল সময় তা ধৈর্য্যরে সাথে ছবর করতে হয়। আগে থেকে কার্যক্রমগুলোর ব্যাপারে প্রস্তুতি নিয়ে সচেতন থাকতে হয়। মদিনায় যাতে আদবের গেলাফ না হয় সেদিকে সজাগ থাকতে হবে। তিনি এলাকার যত মুরুব্বী, যুবক মারা গেছেন সকলের জন্য নাজাতের দোয়া এবং দেশ কল্যাণে হজ্বযাত্রীদের কাছে দোয়ার আর্জি জানান।

শেষে দোয়া পরিচালনা করেন বড় মসজিদের খতিব হযরত মাওলানা আহসান উল্লাহ। – বিজ্ঞপ্তি