নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার নন্দীগ্রামে হত্যা চেষ্টা মামলায় আরজেএফ উপজেলা শাখার সভাপতি আমিনুল ইসলাম জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ গ্রেপ্তার হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়নের বর্ষণ গ্রামের মকছেদ আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম ও কামরুল হাসানের সাথে একই গ্রামের মোজাম্মেল হকের ছেলে আমিনুল ইসলাম জুয়েলের বিরোধ চলছিলো। এমতাবস্থায় ২২ এপ্রিল সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টায় আমিনুল ইসলাম জুয়েল তার দলবল নিয়ে বর্ষণ গ্রামে গিয়ে রফিকুল ইসলাম ও কামরুল হাসানের সাথে কথা কাটাকাটি শুরু করে। এর এক পর্যায়ে মারপিট ও ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটায়।

এতে রফিকুল ইসলাম, কামরুল হাসান এবং তাদের মা বিলকিস বেগম, চাচি আয়লা বেগম ও ভাতিজা রজব আলী গুরুতর আহত হয়। তাদের চিকিৎসা চলছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ২ টি চাকু উদ্ধার করে। এই ঘটনায় কামরুল হাসান বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

এই মামলায় আমিনুল ইসলাম জুয়েলকে প্রধান আসামি করে ৮ জনের নাম উল্লেখ ও ৩/৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। ওই মামলায় আরজেএফ উপজেলা শাখার সভাপতি আমিনুল ইসলাম জুয়েলকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

অপরদিকে ২২ এপ্রিল রাতে থানার এসআই বিকাশ চক্রবর্তী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মামলার আরেক আসামি আরজেএফ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদকে গ্রেপ্তার করে। ২৩ এপ্রিল থানা পুলিশ তাকে বগুড়া কোর্ট হাজতে প্রেরণ করেছে। মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা বিকাশ চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।