ফজলুর রহমান, নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ১নং বুড়ইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন জমজমাট হয়ে উঠেছে। অংশগ্রহণ কারী প্রার্থীরা মাঠ চষে বেড়াচ্ছে।

প্রাপ্ত তথ্য প্রকাশ, আগামী ১৫ জুন উপজেলার ১নং বুড়ইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই নির্বাচনে মোট ভোটার ৩০ হাজার ৩শ ২৬ জন, এর মধ্য পুরুষ ভোটার ১৫ হাজার ৫শ জন, মহিলা ভোটার ১৫ হাজার ২০০ ৭০ জন, মোট কেন্দ্র ১৬টি বুদ সংখ্যা ১০৪ টা।

চেয়ারম্যান প্রার্থী রয়েছে ৬জন, মেম্বার প্রার্থী রয়েছে ৩৪ জন, সংরক্ষিত মহিলা প্রার্থী ১৪ জন। এর মধ্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেন মন্ডল (নৌকা), জিয়াউর রহমান জিয়া-স্বতন্ত্র (অটো রিক্সা), আব্দুল মালেক,-স্বতন্ত্র (চশমা), ভবেশ চন্দ্র সরকার,-স্বতন্ত্র (ঘোরা), রুহুল আমিন হিমেল,-স্বতন্ত্র (আনারস), আহসানুল হক সরকার সোহাগ,-স্বতন্ত্র (মোটরসাইকেল), চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদন্দিতা করছেন। সকল প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ঘুরে ভোট প্রার্থনা করছে।

নির্বাচনে মোফাজ্জল হোসেন, জিয়াউর রহমান, ও আ: মালেকের মধ্যে ত্রী মুখি লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকার দলীয় প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেন মন্ডল এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমার নির্বাচনী পচারনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সকল নেত্রীবৃন্দ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা আমার সঙ্গে আছেন, সকলে আমাকে ব্যাপক সহযোগীতা করছে। কিন্তু স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউর রহমান ও আব্দুল মালেকের কর্মীরা আমার পোষ্টার ছিরে ফেলছে এবং আমার নৌকা মার্কায় ভোট না দেওয়ার জন্য ভোটারদের নানা ধরনের হুমকি ধামকি দিচ্ছে।

এ বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, বিভিন্ন যায়গায় কে-বা কাহারা আমার সকল পোষ্টার ছিরে ফেলেছে সরকার দলীয় লোকজন আমার প্রচার মাইক বুড়ইল বাজারে বন্ধ করে দেয়, এমনকি ভ্যান চালককে মারধর করে, আমাকে বাড়ি থেকে বের না হওয়ার জন্য টেলিফোনে শতর্ক করে দিচ্ছে।

অপর দিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মালেকের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমার কর্মীরা কারো পোষ্টার ছিরে নাই, বরং বিভিন্ন স্থানে আমার পোষ্টার গুলো ছিরে ফেলেছে।

এ বিষয়ে নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ার হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি এই প্রতিনিধিকে জানান, বুড়ইল ইউনিয়নের চলতি নির্বাচনে কোনো প্রার্থী কোনো অভিযোগ করেনি। তবে আগামী ১৫ জুন নির্বাচনে কোনো প্রকার অপৃতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সে জন্য কঠোর আইনি ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচনের দিনে সিভিল টিম স্টাইকিং ফোর্স কাজ করবে। তাছাড়া বর্তমানে আইনশৃংখলা ভালো রাখার জন্য দুটি টিম কাজ করে যাচ্ছে। আমি আশা করছি অত্যান্ত শান্তিপূর্নভাবে আগামী ১৫ জুন ভোট অনুষ্ঠিত হবে।