আব্দুর রশীদ তারেক, নওগাঁ : নওগাঁর নিয়ামতপুরের বহুল আলোচিত রমজান হত্যার থানায় ইউডি ও আদালতের দায়েরকৃত হত্যা মামলা,এ দুটি মামলাকে এক সাথে শুনানীর আদেশ দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত।

আজ বৃহস্প্রতিবার দুপুর ২টার দিকে নওগাঁ ৭নং আমলী আদালতের বিচারক সাইফুল ইসলাম এ আদেশ দেন। মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবি আমনুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর থানার ইসলামপুর গ্রামের আক্তার হোসেনের ছেলে রমজান আলীর সাথে একই এলাকার এনামুল হকের মেয়ে পলি আরার বিয়ে হয় রমজান আলীর মৃত্যুর মাত্র ২৯দিন আগে।এর আগে পলির অন্য এক ছেলের সাথে প্রথম বিয়ে হয়েছিল।

রমজানের সাথে বিয়ের পর থেকেই পলি মোবাইলে অন্য কারো সাথে সবসময় কথাবার্তা বলত।

এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া লেগেই থাকত। ঘটনার দিন অথাৎ ২২২১ ইং সালের ২ শে জুলাই সন্ধ্যা ৭টার সময় পলির চাচা সালেক রমজানের বাড়িতে কোমল পানীয় টাইগার ও অন্যান্য খাবার নিয়ে এসে ভোজন ষেষে রাত ১০টার দিকে চলে যায়।

প্রতিদিনের মতো রমজান আলী খাওয়া-দাওয়া শেরে স্বামী-স্ত্রী রাত ১১টার দিয়ে মুমিয়ে পড়ে। রাত আনুমানিক ২টার দিকে পলি তার শ্বাশুড়ীকে ডেকে বলে রমজান গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তার শ্বাশুড়ী হাসেন বানু ছেলের ঘরে গিয়ে দেখে রমজান ঘরের মেঝেতে মরে পড়ে আছে। তার মুখ-কান ও নাক দিয়ে রক্ত ও গোগলা পড়ছে। পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠান।

এ ব্যাপারে নিয়ামতপুর থানায় একটি ইউডি মামলা হয়। রমজানের মা হাসেন বানু থানায় একটি হত্যা মামলা করতে গেলে মামলা না নেয়ায় রমজানের মা হাসেন বানু বাদী হয়ে রমজানের স্ত্রী পলিআরা, পলির চাচা সালেক হককে আসামী করে একটি হত্যা মামলা করেন এবং রমজানের মৃতদেহের পুন:রায় ময়না তদন্তের আবেদন করেন।