ফাইল ছবি

খোলাবার্তা২৪ ডেস্ক : তালেবানের কাবুল দখলের পর কাতারের রাজধানী দোহায় গত দু’দিন আমেরিকা ও তালেবানের প্রথম মুখোমুখি বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে তালেবানকে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। তবে এখনই তালেবানকে স্বীকৃতি নয়।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে জনানো হয়েছে, সুরক্ষা ও সন্ত্রাসবাদ নিয়েই মূলত কথা হয়েছে।

আফগানিস্তানে এখনো কিছু মার্কিন নাগরিক থেকে গেছেন। তাছাড়া যে সব আফগান গত ২০ বছর আমেরিকাকে সাহায্য করেছেন এবং যারা দেশ ছাড়তে চান, তারা যাতে নিরপদে আমেরিকা ফিরতে পারেন, তা নিয়েও কথা হয়েছে। তাছাড়া সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মেয়েদের অধিকারের বিষয়টিও আলোচনায় উঠেছিল।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি জানানো হয়, দুই পক্ষের মধ্যে খোলাখুলি আলোচনা হয়েছে। তালেবান নেতাদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে, তারা কী বলছেন, তার থেকে তারা কী করছেন, তার উপরেই সব চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে।

আমেরিকা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এখনই তালেবান শাসনাধীন আফগানিস্তানকে স্বীকৃতি দেয়া হবে না। তবে তাদের সাহায্য করা হবে।

আমেরিকার বক্তব্য, কূটনৈতিক স্বীকৃতি দেয়া বা তালেবান শাসনকে বৈধতা দেয়া নিয়ে কথা হয়নি। বরং বাস্তবসম্মত বিষয়গুলি নিয়ে কথা হয়েছে।

তালেবানও জানিয়েছে, ভালো আলোচনা হয়েছে।

তালেবান মুখপাত্র বলেছেন, আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন কর্মকর্তাদের বলেছেন, তারা আফগানিস্তানের মাটি থেকে কাউকে কোনো সন্ত্রাসবাদী কাজকর্ম করতে দেবেন না।

আমেরিকা মনে করে, আফগানিস্তানে সাম্প্রতিক সহিংসতার পিছনে আইএস আছে। আফগানিস্তানে তারাই বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে।

তালেবান আফগানিস্তানের শাসনভার নেয়ার পর সেখানে এখন অর্থনীতির অবস্থা শোচনীয়। আমেরিকা আফগানিস্তনের ৯০০ কোটি ডলারের সম্পদ ফ্রিজ করে দিয়েছে। ফলে আফগানিস্তানে ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার উপর প্রবল চাপ পড়েছে। জিনিসের দাম খুবই বেড়ে গেছে। মানুষের হাতে অর্থ নেই। জাতিসংঘ জানিয়েছে, আফগানিস্তানে অভুক্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে।