তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি

খোলাবার্তা২৪ ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে তৃণমূলে যোগ দিলেন ভারতের তিন সাবেক সাংসদ পবন বর্মা, কীর্তি আজাদ ও অশোক তানওয়ার।

সোমবার সন্ধ্যাতেই দিল্লি গেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার দিনভর তিনি ব্যস্ত থেকেছেন। কথা বলেছেন একাধিক নেতার সঙ্গে। তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন তিন সাবেক সাংসদ। তবে তারা কেউই হেভিওয়েট নেতা নন।

মমতার সঙ্গে মঙ্গলবার দেখা করেন জাভেদ আখতার। এর আগেরবারও তিনি মমতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। এবারও করলেন। তবে গতবার তার সঙ্গে ছিলেন শাবানা আজমি। এবার জাভেদ একাই দেখা করেছেন। তৃণমূলের সঙ্গে জাভেদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে। জাভেদ এর আগে রাজ্যসভার মনোনীত সাংসদ ছিলেন।

মমতার সঙ্গে এদিন দেখা করেন সুধীন্দ্র কুলকার্নিও। সুধীন্দ্র একসময় লালকৃষ্ণ আডবাণীর সঙ্গে ছিলেন। আডবাণী যখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তখন তাঁর সঙ্গে ছিলেন সুধীন্দ্র। তার পরিচয় ছিল তাত্ত্বিক নেতা হিসাবে। এখন তিনি মূলত বিভিন্ন সংবাদপত্রে লেখালেখি করেন। মমতার সঙ্গে ছিলেন তার ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

সবেক আইএফএস অফিসার ও সাবেক সাংসদ পবন বর্মা এদিন মমতার সঙ্গে দেখা করে তৃণমূলে যোগ দেন। তিনি একসময় বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের কাছের নেতা ছিলেন।

পবন বলেছেন, অনেক চিন্তাভাবনা করে তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, গণতন্ত্রে শক্তিশালী বিরোধী দল প্রয়োজন। মমতাই একমাত্র শক্তিশালী নেতৃত্ব দিতে পারেন। তিনি ২০২৪ সালে ভোটে জিতে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ক্ষমতা রাখেন।

কীর্তি আজাদ একসময় বিহার থেকে বিজেপি সাংসদ ছিলেন। অরুণ জেটলির সঙ্গে মতবিরোধের জেরে তিনি দল ছাড়েন। কংগ্রেসে যোগ দেন। ভোটেও দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু জিততে পারেননি। এখন তিনি তৃণমূলে যোগ দিলেন। তিনি সাবেক ক্রিকেটার। কপিল দেবের নেতৃত্বে বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন কীর্তি। অশোক তানওয়ারও কংগ্রেসের নেতা ও সাবেক সাংসদ। একসময় তিনি রাহুল গান্ধীর কাছের নেতা ছিলেন। ২০১৯ সালে তিনি কংগ্রেস ছাড়েন।

হরিয়ানার নেতা অশোক তানওয়ারকে পাশে নিয়ে মমতা বলেন, ”আমি হরিয়ানায় যাব। জয় হরিয়ানা। আপনারা এবার সব রাজ্যের নামে জয়ধ্বনি শুনবেন। জয় গোয়া। জয় বাংলা।”