সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : ব্যবসায়ীসহ তিন ব্যক্তিকে অপহরণ মামলায় শামীম আহমদ নামে এক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সুমন মিয়া তাকে গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করেন।

রোববার রাতে উপজেলার জাদুকাটা নদীতীরের পাঠানপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতার শামীম তাহিরপুরের বাদাঘাট ইউনিয়নের মোদেরগাঁও গ্রামের মোল্লাবাড়ির শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে।

মামলা ও পুলিশ সুত্র জানায়, ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পাওয়ায় গেল বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় উপজেলার সংসার হাওর তীরের মন্দিয়াতা গ্রামের সামনে থাকা বিআইডব্লিউটিএর জেটিতে থাকা তিন ব্যক্তিকে মারপিট করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অপহরণের পর ১৬ সদস্যের একটি গ্রুপ মোদেরগাঁও গ্রামে ফিরে আসে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আর ৭-৮ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন।

সুনামগঞ্জ পৌর শহরের হাসন নগরের মৃত রাজা মিয়ার ছেলে অপহৃত ও শারিরীক নির্যাতনের শিকার ব্যবসায়ী অলিউর রহমান মামলাটি করেন।

শামীমসহ এ অপহরণ মামলায় সম্পৃক্তততা থাকায় গ্রেফতার হয়েছেন এ পর্যন্ত দুই আসামি। এরআগে গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের প্রয়াত ইউপি চেয়ারম্যান মোগেরগাঁও গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে মোর্শেদ আলমকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

প্রসঙ্গত, উপজেলার বাণিজ্যিক কেন্দ্র বাদাঘাটে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক হওয়ার সুবাধে স্থানীয়ভাবে সে ডায়াগনস্টিক শামীম নামেই পরিচিতি লাভ করে।

সোমবার মামলার বাদী অলিউর রহমান নিজেও জানান, অপহরণ ঘটনায় সরাসরি জড়িত থেকে মোদেরগাঁও গ্রামের একটি বাড়িতে রাতে জিম্মি করে আটকে রেখে গ্রেফতার শামীম ওরফে ‘ডায়াগনস্টিক শামীম’ অপহৃতদের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালায়।