তানোর প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোরে আল মাদ্রাসাতুল ইসলাহীয়া দাখিল মাদ্রাসার নিয়োগ বোর্ডের সাতজন সদস্য কমিটির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাজশাহী জেলার তানোর সহকারী জজ আদালতে আলমগীর হোসেন নামের এক (নৈশ প্রহরী) পদে চাকরির আবেদন কারী এমামলাটি দায়ের করেছেন।

যাহার মামলা নম্বর ৩৮৪/২০২১। সেই মামলায় আদালত সাতকার্যদিবসের মধ্যে ওই প্রতিষ্ঠানের সুপারকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ প্রদান করেছেন বলে মামলা সূত্রে জানায়।

মামলা সূত্রে জানায়, আল মাদ্রাসাতুল ইসলাহীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও ম্যানেজিং কমিটি সদস্যদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নৈশ প্রহরী পদের জন্য গত ৩১ আগস্ট ২০২১ জাতীয় স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নৈশ প্রহরী পদের জন্য আলগীর হোসেন প্রার্থী হিসাবে আবেদন করেন। পরে চলতি মাসের ২৩সেপ্টেম্বর যাচায় বাচাই আন্তে আলমগীর কবিরের ৮ম শ্রেনীর সার্টিফিকেট ত্রুটি-বিচ্যুতি দেখিয়ে যাচাই বাছাই নিয়োগ কমিটির সদস্যরা অবৈধ বলে ঘোষণা করেন।

এমন সংবাদ লোকমুখে জানার পরে নিয়োগ বোর্ডের সাত সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন তিনি। সেই সাথে আবেদন ফি বাবদ চাকরিপ্রার্থীদের কাজ থেকে ২ হাজার টাকার ব্যাংক ড্রাফ নেয়া হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ্য করা হয়েছে।

উক্ত মামলার বিবাদীরা হলেন, নিয়োগ বোর্ড সভাপতি হাবিবুর রহমান, নিয়োগ বোর্ড সদস্য সচিব ও মাদ্রাসার সুপার মোকছেদ আলী, নিয়োগ কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম, হাসেম আলী, আলতাফ হোসেন, আজাহার আলী ও রাজিয়াসহ সাতজন নিয়োগ কমিটির সদস্যরা ।

নৈশ প্রহরী পদে নিয়োগ প্রার্থী আলমগীর হোসেন বলেন, আমার সাটিফিকেট সঠিক থাকার পরেই নিয়োগ কমিটি সাটিফিকেট ক্রটি দেখিয়ে আমাকে বাদ দিয়েছেন। তাদের পছন্দ প্রার্থীকে নিয়োগ দিবে বলে। আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি এবং পরবর্তীতে মামলা দায়ের করেছি ।

আল মাদ্রাসাতুল ইসলাহীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মুকছেদ আলী বলেন, নিয়োগ বোর্ডের উপর কোন মামলা হয়েছে কি না আমার জানা নেই। আলমগীরের ক্রটিপূর্ণ সার্টিফিকেটের বিষয়ে কথা বলতে চাইলে বিষয়টি এড়িয়ে যান তিনি।