কাজী খলিলুর রহমান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ঝালকাঠিতে হতদরিদ্রদের জন্য খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রিতে নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। কার্ডধারীদের জনপ্রতি ৩০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও ওজনে ৫০০ গ্রাম থেকে দেড় কেজি পর্যন্ত চাল কম দিচ্ছেন ডিলার।

কয়েকজনকে সেপ্টেম্বর মাসে চাল দেওয়া হয়নি। আজ ১৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকালে ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের দেউরী গ্রামে চাল বিক্রির সময় অনিয়ম দেখা যায়।

স্থানীয়রা জানায়, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় পোনাবালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে হতদরিদ্র ৭৯৩ জনের তালিকা করে কার্ড দেওয়া হয়। এ ইউনিয়নে দুইজন ডিলার ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করেন। এর মধ্যে দেউরী বাজার এলাকায় চাল বিক্রির জন্য ডিলার নিয়োগ করা হয় আমিরুল বিশ্বাসকে। তিনি ৩৫৫ জন কার্ডধারীর মাঝে জনপ্রতি ৩০ কেজি করে ১০ টাকা দরে চাল বিক্রি করবেন।

সপ্তাহে সোমবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার এ চাল বিক্রি করা হয়। গত সেপ্টেম্বর মাসে কার্ডধারী ৬ জনকে চাল না দিয়ে আত্মসাত করার অভিযোগ রয়েছে ডিলারের বিরুদ্ধে। যাদের চাল দিয়েছেন, তাও ওজনে কম। অক্টোবর মাসেও কার্ডধারী হতদরিদ্রদের চাল ৫০০ গ্রাম থেকে দেড় কেজি ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।

ডিলার আমিরুল বিশ্বাস জানান, ৫০ কেজির সবগুলো বস্তাতেই চালের ঘাটতি থাকায় তিনি কার্ডধারীদের ২০০ গ্রাম করে চাল কম দিচ্ছেন। ইচ্ছে করে কোন অনিয়ম করা হচ্ছে না বলেও জানান তিনি।

এ ব্যাপারে ঝালকাঠি সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শাহনাজ পারভিন জানান, ডিলারের উপস্থিতি ছাড়া কাউকে চাল দেওয়ার নিয়ম নেই। ওজনে কম দেওয়ার কোন সুযোগই নেই। ডিলারের অনিয়মের ব্যাপারে অভিযোগ পাওয়া গেছে, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।