হারিস মোহাম্মদ, জুড়ী : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি, জুড়ী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা বদরুল হোসেন (৭৪) আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

প্রবীণ এ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শুক্রবার (৫ আগস্ট) ভোর ৪.৩০ মিনিটে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন।

তাঁর মৃত্যুতে জুড়ী উপজেলসহ মৌলভীবাজার জেলা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে, এক মেয়ে, স্ত্রীসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।

পারিবারিক ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, বেশকিছু দিন ধরেই তিনি বার্ধক্যসহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। বীরমুক্তিযোদ্ধা বদরুল হোসেন ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের একজন একনিষ্ঠ অনুসারী। দলের জন্য তাঁর ছিল অকৃত্রিম ভালোবাসা।

তাইতো বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে নির্যাতনের শিকার হলেও তিনি আদর্শচ্যুত হননি। দলের প্রতি তাঁর আনুগত্য ও অপরিসীম ত্যাগের কারণে নেতাকর্মীদের নিকট তিনি ছিলেন অনুকরণীয় আদর্শ ।

বীরমুক্তিযোদ্ধা বদরুল হোসেনের মৃত‍্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, এমপি এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, এমপি।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার স্বাক্ষরিত এক শোক বার্তায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোঃ বদরুল হোসেন এর পবিত্র আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার পরিজন, সহকর্মী, আত্মীয়-স্বজন, গুণগ্রাহীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এ ছাড়া বর্ষিয়াণ এ নেতার মৃত্যুতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন, জুড়ী প্রেসক্লাব, জুড়ী রিপোর্টার্স ইউনিটিসহ বিভিন্ন মহল গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

বিকাল ৫.৩০ মিনিটে জুড়ী বড় মসজিদ শাহী ঈদগাহ ময়দানে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।