ফুলবাড়ী প্রতিনিধি : জমি নিয়ে বিরোধের কারনে সুপারি বাগান ও খড়ের গাদাসহ বাঁশঝাড় টিনের বেড়া (চ্যাকার) দিয়ে ঘেরে নিয়েছে প্রতিপক্ষ। এ নিয়ে মারামারি হলে অবরুদ্ধ থাকা একটি অসহায় পরিবার ৯৯৯ লাইনে ফোন দিয়ে রক্ষা পেলেও গরুর খড় নিতে পারছে না এখনো।এমন ঘটনাটি ঘটেছে ফুলবাড়ী উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের সোনাইকাজী গ্রামে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারটি থানায় মামলা করলে আদালতে থেকে জামিন পেয়ে অভিযুক্তরা হুমকি প্রদর্শন ও ভয়ভীতি দেখাছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে ।

জানা গেছে ,উপজেলার সোনাইকাজী গ্রামের মৃত নাদের আলীর ছেলে রফিকুল ইসলামের সাথে একই এলাকার বেমাথা ভাই গোলাম রব্বানী সরকারের মধ্যে ক্রয়কৃত ১২ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে দ্বন্ড হয়ে আসছিল। এ নিয়ে কয়েকবার গ্রাম্য শালিশী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এলাকার মাতব্বররা অনেক চেষ্টা করেও বিবাদী জমির নিস্পত্তি করতে পারেনি। রফিকুল ইসলামের ছোটভাই রহুল আমিন গত শনিবার তার বসতবাড়ীর চেকার দেয়ার সময় উভয়ের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে।

মারামাররি এক পযার্য় জোরপূর্বক রহুল আমিনকে বাড়ীতে তুলে নিয়ে রব্বানীর লোকজন নিযার্তন করে গাছে বেঁধে রাখেন। উপান্তর না পেয়ে ছোট ভাইকে উদ্ধারের জন্য ৯৯৯ লাইনে ফোন দেন রফিকুল ইসলাম। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক ওই যুবককে উদ্ধার করে ফুলবাড়ী হাসপাতালে ভর্তি করায়। পরে রহুল আমিন বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামী করে থানায় মামলা করে। আদালতে থেকে জামিন পেয়ে অভিযুক্তরা হুমকি প্রদর্শন ও ভয়ভিতী দেখাছে বলে অভিযোগ করেছে ক্ষতিগ্রস্থরা।

রফিকুল ইসলাম জানান ক্রয়কৃত ১২ শতক জমি নিয়ে দ্বন্ড হয়। আমার প্রতিপক্ষের লোকজন জমি রেউয়াজ (বদল)করার জন্য চাপ দিয়ে আসছিল। সেটা না করায় আমার পরিবারকে মারপিট করেছে তারা।তা ছাড়াও আমার জমির বাগানেও গরুর খড়সহ বাঁশঝাড় চেকার দিয়ে ঘিরে রেখেছে। সেখান গেলে তারা হুমকি দিচ্ছে। এখন ৪টি গরুর খড় সংগ্রহ করতে পাচ্ছি না ভয়ে।কারো বাড়ীতে যেতেও দিচ্ছে না তারা।

ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনর্চাজ (তদন্ত) সারওয়ার পারভেজ জানান, ৯৯৯ লাইন থেকে ম্যাসেস পাওয়ার পর ঘটনাস্থল থেকে গাছে বেঁধে রাখা যুবককে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অপরাধে ৬জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তদন্তকারী পুলিশ অফিসারকে বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখার জন্য নির্দেশ দেয়া হবে।