খোলাবার্তা২৪ ডেস্ক : খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, চালের বাজারে সিন্ডিকেট ভাঙতে কঠোর মনিটরিং কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। বাজারে মিনিকেট বলতে কোনো চাল থাকবে না। এই চাল বিক্রির বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে ভোক্তা অধিকার অভিযান চালানো হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, আগামী ১ অক্টোবর থেকে খোলা বাজারে প্যাকেট করা আটা বিক্রি করবে টিসিবি। ইতিমধ্যে আটা প্যাকেট করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, খোলা আটা বিক্রি হলে কালোবাজারি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই দাম একটু বেশি পড়লেও সব আটা প্যাকেটে বিক্রি করা হবে।

খাদ্যমন্ত্রী মঙ্গলবার সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ)’র উদ্যোগে আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সংলাপে সভাপতিত্ব করেন বিএসআরএফের সভাপতি তপন বিশ্বাস, সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হক। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি মোতাহার হোসেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে সারা বছরই খোলাবাজারে আটা বিক্রি কার্যক্রম চালানো হবে। ওএমএস খাদ্যবান্ধব কাবিখাসহ বিভিন্ন প্রকল্পে যে পরিমাণ চাল ও আটা ব্যয় হচ্ছে, তা পূরণের জন্যই মূলত আমদানি করা হচ্ছে।

খাদ্যমন্ত্রী আরো বলেন, বাজারে মিনিকেট বলতে কোনো চাল থাকবে না। এই চাল বিক্রির বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে ভোক্তা অধিকার অভিযান চালানো হচ্ছে। এখন থেকে চালের বস্তার গায়ে যে নামেই বিক্রি করুক, সঙ্গে ধানের জাতের নাম উল্লেখ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, এ জন্য নতুন আইন করা হচ্ছে। সংসদে পাশের জন্য প্রস্তাবিত আইনের খসড়া পাঠানো হয়েছে। আইনটি কার্যকর হলে ব্যবসায়ীরা কারসাজি করতে পারবেন না বলে তিনি উল্লেখ করেন।