কাজী খলিলুর রহমান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে উপকূলীয় জেলা ঝালকাঠিতে সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। কখনো হালকা কখনো ভারি বৃষ্টিপাতে মানুষ রাস্তায় নামতে পারছে না। সকাল থেকেই মেঘাচ্ছন্ন আকাশ, গুমোট আবহাওয়া বিরাজ করছে। এতে জনমনে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

বিশেষ করে সুগন্ধা ও বিষখালী নদী তীরের মানুষ ঝড়ো আবহাওয়ায় উদ্বিগ্ন। বৃষ্টির কারণে ফসলের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে আছে। এতে তরমুজ, মুগ, মরিচসহ ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

তবে কৃষি বিভাগ বলছে, পানি কমে গেলে ফসলের ক্ষতির সম্ভাবনা কমে যাবে। তারা কৃষকদের আগাম ফসল ঘরে তুলে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

রাজাপুরের কৃষক হানিফ সরদার বলেন, আমার ক্ষেতে এখনো তরমুজ রয়েছে। বৃষ্টির পানিতেতরমুজগুলো নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আমি বেশিরভাগ তরমুজ আগেই বিক্রি করে দিয়েছি। এখন যা আছে, তা নষ্ট হওয়ার পথে।

নলছিটির মালিপুর এলাকার কৃষক মো. বাবু বলেন, আমার ক্ষেতে তরমুজ ও মুগ রয়েছে। পানিতে ক্ষেত তলিয়ে আছে। তরমুজ ও মুগের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।

ঝালকাঠি শহরের স্কুল শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টিতে রাস্তায় নামা যায় না। বৃষ্টিতে ভিজে শিশুরা স্কুলে আসছে। টানা বৃষ্টিতে মানুষ ঘরবন্দি রয়েছে।

ঝালকাঠি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ঘূর্ণিঝড় অশনি’র তেমন কোন প্রভাব পড়বে না কৃষিতে। তবে বৃষ্টির পানি ফসলের মাঠে রয়েছে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন। আমরা আগাম ফসল ঘরে তুলে নানা পরামর্শ দিয়েছি। আশাকরি বৃষ্টির পানিতে ফসলের কোন ক্ষতি হবে না।