গোয়াইনঘাট কথিত বিরোধপূর্ণ রোপা আমন চাষকৃত ভূমি

মনজুর আহমদ, গোয়াইনঘাট : গোয়াইনঘাটে প্রতিপক্ষকে হয়রানি করতে প্রভাবশালীর প্ররোচণায় আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। গোয়াইনঘাট উপজেলার রস্তমপুর ইউনিয়নের পাতলীকোনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সরজমিন গিয়ে ও আদালতে দায়েরকৃত মামলা সূত্রে জানা গেছে, গোয়াইনঘাট উপজেলার রস্তমপুর ইউনিয়নের পাতলীকোনা গ্রামের মৃত বশির উদ্দিনের পুত্র ইমাম উদ্দিন বাদী হয়ে গ্রামের একটি প্রভাবশালী মহলের প্ররোচনায় একই গ্রামের মৃত রবু মিয়ার পুত্র মখলিছুর রহমান রহমান ও মৃত হাবিবুর রহমানের পুত্র আব্দুল খালিকের উপর বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে সিলেট আদালতে একটি মামলা দাযের করেন।

বাদী অভিযোগে উল্লেখ করেন- গোয়াইনঘাট উপজেলার রস্তমপুর ইউনিয়নের মৌজা-পাতলী জেল নং ৪৯, এসএ খতিয়ান নং ৪৩, এসএদাগ নং ২৫, বিএস খতিয়ান নং ৪৬, বিএস দাগ নং ২৮, বিএস খতিয়ান নং ১৫৪, বিএস দাগ নং ১৪২, বিএস খতিয়ান নং ১৪২, বিএস দাগ নং ১২৮, উল্লেখিত ভুমিতে বিবাদীরা কৃষি কাজে বাঁধা প্রদান করে।

এরই প্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্ত পুর্বক প্রতিবেদন প্রেরনের জন্য গোয়াইনঘাট থানার এএসআই জামাল উদ্দিনকে দায়িত্ব দেওয়া দিলে ২৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বেলা ২টায় এএসআই জামাল ঘটনাস্থল পরির্দশন করেন।

সরজমিন গিয়ে দেখা যায় মামলায় উল্লেখিত ভূমিতে বাদীর চাষাবাদকৃত রোপা আমন ক্ষেত দেখা গেছে এবং কিছু ভূমি হালি চারার অভাবে চাষাবাদ করতে পারেননি বলে বাদী ইমাম উদ্দিন জানান।

এ সময় ৩য় পক্ষসহ উভয় পক্ষের শতাধিক লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

জিজ্ঞেস করলে বাদী ইমাম উদ্দিন জানান, মামলায় ৩টি দাগের মধ্যে ২টি দাগে কোন প্রকার বাঁধা ছাড়া চলতি মৌসুমে আমন ধান রোপন করেছি। আর হালি চারা না থাকায় একটি দাগের ভূমিতে চাষাবাদ করতে পারিনি।

কেন মামলা দায়ের করেছেন এমন প্রশ্নের কোন জবাব না দিয়ে বাদী নিরবতা পালন করেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসআই জামাল উদ্দিন জানান, আমি তদন্ত করেছি এবং প্রতিবেদন আদালতে প্রেরণ করব।