ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : কুয়াকাটা পর্যটন নগরীতে সার্বক্ষনিক বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানিয়ে কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স এ্যাসোসিয়েশের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ঘোষিত শতভাগ বিদ্যুতায়নের সুফল থেকে অত্র এলাকা বঞ্চিত। তাছাড়া এমন কোনদিন নেই যে ১০/১২ বার বিদ্যুৎ বিভ্রাট না হয় বলে নেতৃবৃন্দ জানান।

তারা বলেন, পর্যটন নগরী কুয়াকাটা ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১০ ঘন্টাও প্রতিনিয়ত বিদ্যুৎ থাকে না।

কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে আজ জাতীয় প্রেসক্লাবের মানিক মিয়া হলে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি করা হয়।

সংগঠনের সেক্রেটারী জেনারেল এম. এ. মোতালেব শরীফ বলেন, কুয়াকাটার নির্মল বাতাস প্রকৃতির নৈস্বর্গ সাগরের বিশাল জলরাশি তার অপার সৌন্দর্য নিয়ে পর্যটকদের কাছে টানে।

পর্যটন নগরী কুয়াকাটা শুধু দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নয় বরং এটি সমগ্র বাংলাদেশের অর্থনীতির বিশাল সম্ভাবনা। যার কারনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সনে কুয়াকাটাকে পর্যটন নগরী হিসাবে ঘোষণা করেন।

শুধু ঘোষণা দিয়েই তিনি কাজ শেষ করেননি, কুয়াকাটাকে সাজানোর জন্য নিয়েছেন একগুচ্ছ উন্নয়ন পরিকল্পনা। কুয়াকাটার সাথে সংযুক্ত সকল রাস্তাঘাট তিনি সুন্দরভাবে তৈরীকরে দিয়েছেন। ইতোমধ্যে ঢাকা হতে কুয়াকাটা পর্যন্ত ৬ (ছয়)টি ব্রীজ-এ যানবহন চলাচল করছে।

একটি ব্রীজ এর উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান যাহা উদ্বোধনের অপেক্ষায় আছে এবং পদ্মাসেতু চালু হলে ঢাকা থেকে ৫ (পাঁচ) ঘন্টায় পর্যটকরা কুয়াকাটায় পৌঁছতে পারবে।

পর্যটন নগরী কুয়াকাটার যুগোপযোগী মাস্টার প্লান প্রধানমন্ত্রী ২০১৩ সনের ডিসেম্বরে অনুমোধন দিয়েছেন। যাহা বাস্তবায়নের অপেক্ষায় আছে। বাস্তবতা হচ্ছে পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় শতাধিক হোটেল মোটেল রিসোর্ট ও কয়েক হাজার পর্যটন বান্ধব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অবস্থিত।

অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে যে সরকার কুয়াকাটায় যাও বিদ্যু থাকে তাও ভোল্টেজ এতই কম থাকে যার ফলে হোটেল মোটেল সহ সকল প্রতিষ্ঠানের এসি, টিভি, ফ্রিজ, ফ্যানসহ ইলেকট্রনিক সামগ্রী প্রতিনিয়ত বিকল হচ্ছে। যার কারণে আমরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। এবং ভ্রমন পিপাসু পর্যটকরা গরমে অতিষ্ট হয়ে কুয়াকাটা ভ্রমনের আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে তারা তিন দিনের স্থলে একদিন অবস্থান করেই ফিরে যাচ্ছে।

এম. এ. মোতালেব শরীফ আরো বলেন, নিকটস্থ বিদুৎ অফিসে বার বার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও পরিস্থিতি কোন উন্নতি হয় নাই। বৃহস্পতিবার, শুক্রবার পর্যটক যখন বেশী থাকে তখনই বিদ্যুৎ সংকট কৃত্রিমভাবে সৃষ্টি করা হয়।