মিজানুর রহমান মিজান, রংপুর অফিস : তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, কুমিল্লায় এলডিপির মহাসচিব রেদওয়ান আহম্মেদের গুলি করার ঘটনায় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের ইন্দন আছে কিনা সেটি গুরুত্ব সহকারে ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১০ মে) বিকেল সোয়া চারটার দিকে রংপুর মহানগর কোতয়ালী থানা আওয়ামী লীগের প্রথম ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে যোগ দেয়ার আগে সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, টিআইবি এবং বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভির বিবৃতি একই সুরে গাথা। টিআইবি কোন কিছু যাচাই-বাছাই ও অনুসন্ধান না করে বিএপির মত ঘটনা ঘটার আগেই বিবৃতি দেয়।

এদিকে বিকেলে রংপুর টাউন হলে মহানগর কোতয়ালী থানার ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য শাহজাহান খান এমপি।

অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন ষফিক ও কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমান এমপি।

বেলুন ও জাতীয় পতাকা তুলে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন, মহানগর সভাপতি শাফিয়ার রহমান শফি।

এদিকে মহানগরের অন্তর্ভুক্ত ছয় থানার মধ্যে বড় থানা হচ্ছে রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানা। ১৪টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এ থানার মোট কাউন্সিলর ৪৪৯ জন।

এর আগে সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, কুমিল্লায় এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদের গুলি ছোড়ার ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক, ন্যক্কারজনক এবং প্রচণ্ড নিন্দনীয়। সেখানে আমাদের দলের কর্মীরা জমায়েত হয়েছিল। রেদোয়ান আহমেদ সেখানে গিয়েছেন। একটি তরমুজ ছুড়ে মারার প্রত্যুত্তরে রেদোয়ান আহমেদ গুলি ছুড়েছেন। আমাদের দলের দুজন গুলিবিদ্ধসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।