বগুড়া অফিসকাহালু সংবাদদাতা : বগুড়ার কাহালুতে পাহারাদারকে মারপিট করে লীজকৃত পুকুরে বিষ দিয়ে ৩ লাখ টাকার বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নিধন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ৪ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ার কাহালু উপজেলার নারহট্ট ইউনিয়নের আলহাজ্ব মোজাম্মেল হকের ছেলে মৎস্য চাষী হারুনুর রশিদ ১ একর ৪৭ শতক জমির একটি পুকুর ১০ আগষ্ট ২০২২ থেকে ৯ আগষ্ট ২০২৬ পর্যন্ত ৪ বছর মেয়াদে পুকুরের মালিক জনৈক খোরশেদ আলম এর নিকট থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকার বিনিময়ে লীজ গ্রহন করে মাছ চাষ করতে থাকেন।

গত ১০ আগষ্ট রাত ৯ টার দিকে একই গ্রামের অভিযুক্ত কামাল হায়দার পান্না (৬০), গোলাম রব্বানী (৩২),ফেরদৌস (৩৫) ও সামছুল হক (৫৫) কয়েকজন দলবদ্ধ হয়ে হাতে লাঠি সোটাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুকুরে গিয়ে পাহারাদার সেলিম (৩০) কে মারপিট করে পুকুর পাহারার টিনের ঘরটি ভাংচুর করে এবং পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। ফলে পাবদা, বাটা,টেংরাসহ চাষকৃত মাছ মরে ভেসে উঠে। এতে তার প্রায় ৩ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, বহুদিন যাবত হারুনুর রশিদ পুকুরের মালিক খোরশেদ আলম ও মসজিদ কমিটির নিকট থেকে লীজ নিয়ে মাছ চাষ করে আসছে। যদি মসজিদ কমিটি পুকুর চাষ করত তাহলে, মস্জিদ কমিটির সভাপতি/সম্পাদক বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দিত। কিন্তু তা না করে প্রকৃত সত্যকে আড়াল করতে কুচক্রি মহলের পক্ষ হতে থানায় মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। পৃথক অভিযোগের বিষয়টি কাহালু থানা সূত্র নিশ্চিত করেন।

এ ব্যাপারে মসজিদ পক্ষের অভিযোগকারী, অভিযুক্ত গোলাম রব্বানী মেম্বর এর সাথে মোবাইলে কথা বলা হলে তিনি বিষ প্রয়াগের কথা অস্বীকার করে জানান, মসজিদের পক্ষ হতে পুকুরে মাছ চাষ করা হয়েছে। সেখানে হারুনুর রশিদ গং বিষ প্রয়োগ করেছে। মসজিদের পুকুর ৩৭ শতক বাঁকী অংশের মালিক খোরশেদ আলম তার কাছ থেকে কি আপনারা লীজ বা পত্তনী নিয়েছেন? প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন না। কেন জোর করে মালিকানাধীন পুকুরে মসজিদের নামে মাছ ছাড়লেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা সভাপতি সম্পাদক বলতে পারবেন। আপনি কেন বাদী হয়ে অভিযোগ করলেন এ প্রশ্নের কোন সঠিক উত্তর তিনি দিতে পারেনি।