কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ৮ ইউনিয়ন পরিষদে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ১নং কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের কাঁঠালবাড়ী ডিগ্রী কলেজ মাঠে চেয়ারম্যান, মেম্বার পদপ্রার্থী, সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা করেছে জেলা পুলিশ কুড়িগ্রাম।

২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব‍্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে পুলিশ প্রশাসন। কাঁঠালবাড়ী ডিগ্রী কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক বক্তব্য প্রদান করেন কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার সৈয়দা জান্নাত আরা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) উৎপল রায়, কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহরিয়ার কবির, কাঁঠালবাড়ী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ আবেদ আলী, বাংলাদেশ আওয়ামীলী মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী রেদওয়ানুল হক দুলাল (নৌকা), স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল হক ব্যাপারী (ঘোড়া) সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উক্ত মতবিনিময় সভায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খলিলুর রহমান, আইয়ুব আলী ব্যাপারী, আব্দুস সামাদ বকসী, মঞ্জুরুল ইসলাম রতন, আবু সাঈদ তাজুল, কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের ৯ ওয়ার্ডের সকল মেম্বার প্রার্থী সহ কর্মীসমর্থকরা।

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনিত চেয়ারম্যান প্রার্থী রেদওয়ানুল হক দুলাল বলেন, “কাঁঠালবাড়ীর নির্বাচন মানেই উত্তেজনা। আমার জন্মের পর থেকেই কাঁঠালবাড়ীর নির্বাচনে সহিংসতা দেখেছি। বিভিন্ন সময় নির্বাচনে বাইরের লোক আসছে এখানে। আমি ব্যক্তিগত ভাবে আশা করবো এবং সবার প্রতি জোড় অনুরোধ থাকবে আমাদের নিজেদের ভালোবাসা কতটুকু কার প্রতি আমরা সেটা দিয়েই এই নির্বাচনে দেখায় দিতে চাই সুষ্ঠু নির্বাচন কাকে বলে।”

স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল হক ব্যাপারী বলেন, “২৮ তারিখ নির্বাচনে আমার পক্ষ থেকে যদি কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, আমার ছেলেরা যদি বিশৃঙ্খলা করে তাহলে আমাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাবেন।” তিনি আরো বলেন, আমি বহু বছর থেকে নির্বাচন করে আসছি। কেন আমি জিততে পারি না আপনি খোঁজ নিয়ে জানতে পারবেন।” তিনি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার চান।

প্রধান অতিথির বক্তব‍্যে পুলিশ সুপার সৈয়দা জান্নাত আরা বলেন , দুই প্রার্থীর মধ্যে হিংসাত্মক কিছু দেখতে পাচ্ছি না, পুলিশ বাহিনীর সদস্য এটাই চাই। বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকুক। অবাধ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ নির্বাচন হবে এবারের নির্বাচন। কেউ সহিংসতা করে ভোট বাড়াতে পারবেন না। নির্বাচনী আচরণ বিধি লংঘন এবং যে কোন ধরণের সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর ব‍্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।