তৌহিদ চৌধুরী প্রদীপ, সুনামগঞ্জ : দেশের স্বনামধন্য কথা সাহিত্যিক ও কণ্ঠশিল্পী “সালমা কিবরিয়া ও তার একমাত্র গুণী সন্তান লেখক ও কণ্ঠশিল্পী শাদমান মাহতাব কিবরিয়ার সাথে সাহিত্য ও সাংস্কৃতি নিয়ে বৈকালিক আনন্দ আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সম্প্রতি ঢাকায় সালমা কিবরিয়ার মহাখালিস্থ বাসার আড্ডায় আরো উপস্থিত ছিলেন, দেশের তরুণ উদীয়মান কণ্ঠশিল্পী মোহনগঞ্জের কৃতীসন্তান (বীর মুক্তিযোদ্ধার গর্বিত সন্তান) তাপস ইকবাল, সুনামগঞ্জের হাওরপাড়ের গণমাধ্যমকর্মী তৌহিদ চৌধুরী প্রদীপ প্রমুখ।

সালমা কিবরিয়ার সাথে কিছুক্ষণ আলাপচারিতায় জানা যায়, ছোটবেলা থেকেই সাহিত্য ও সাংস্কৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ ছিল তার। তিনি স্বপ্ন দেখতেন তার লেখনীর মাধ্যমে সাহিত্য জগতের নামী-দামী সাহিত্যিকদের সাথে তাঁর লেখার মান নিয়ে তিনিও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হবেন। হয়েছেনও তাই।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন তিনি। পারিবারিক সাংস্কৃতিক আবহে বেড়ে ওঠা সালমা কিবরিয়া ছোটবেলা থকেই সাহিত্য চর্চা করেন। শিশু সাহিত্যের প্রতি গভীর অনুরাগের ফলে রূপকথা পড়তে ও লিখতে ভালোবাসেন তিনি। শিশুদের মনোজগতে বসবাসরত কাল্পনিক শক্তিকে সাবলীলভাবে উপস্থাপন করেন তার মধুর লিখনিতে। নিজ হাতে তাদের লিখা বর্তমান সময়ে সাড়া জাগানো কয়েকটি বই শুভেচ্ছা উপহার দেন এই প্রতিবেদককে।

কথা সাহিত্যক, সালমা কিবরিয়া’র লেখা প্রকাশিত বইগুলোর মধ্যে যে বইটি সবচেয়ে বেশী সাড়া পেয়েছে সেটি হলো “শুধুই বঙ্গবন্ধু”।

তার লিখা আরো কিছু বই হলো, লক্ষ প্রদীপ জ্বালি, ফুল পরিদের মেলা, বাবার জন্য ভালোবাসা, বান কুড়ানির মা, পরীদের মায়াবী স্বপ্ন, অংকিত আল্পনা, সোনালী পরি-রূপালী পরি, মুক্তোগাঁথা চুল, পুতুলের স্বপ্ন, নীলঝঁটির কাকাতুয়া, যা হয়েছে ভালো হয়েছে, আশ্চর্য ঘোড়া এমিলি, প্রকৃত বন্ধু, স্বাধীনতার সুখ, ডাইনির মায়াপুরীতে রাজকুমারী, রংধনুপরি ও জাদুকর, বুদ্ধিমতী রূপালী ও গুপ্তধন, মিষ্টি মণি ও পেটুক শেয়াল, অহংকারী রনি ও রাজকুমারী শ্রাবন্তী, রুপোর বাঁশি ও রাখাল ছেলে, রাজকুমারী চন্দ্র লেখা ও দুষ্ট জাদুকর, আমার পুতুলবাড়ি ইত্যাদী। এ সব বই প্রকাশের পর সাহিত্যের জগতে তিনি ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছেন।

তার প্রত্যেকটি বই আড়ং এর প্রতিটি শো-রুমে পাওয়া যায়। দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশেও তার বই জনপ্রিয় হচ্ছে।